৫ মে ২০২৬

ভারতে আলোচিত তিন তালাক আইন পাশ

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৮ পিএম
ভারতে আলোচিত তিন তালাক আইন পাশ

বিদেশ ডেস্ক : সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে লোকসভায় পাশ করিয়ে নিয়েছিল আগেই। এ বার রাজ্যসভাতেও ঐতিহাসিক তিন তালাক বিল পাশ করাতে সফল হল বিজেপি নেতৃত্বাধীন নরেন্দ্র মোদী নরেন্দ্র মোদী সরকার।

মঙ্গলবার রাজ্যসভায় বিলটি উঠলে সেটি পুনর্বিবেচনার জন্য সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবি ওঠে। তা নিয়ে ভোটাভুটি শুরু হলে, বিলটি পুনর্বিবেচনার পক্ষে ভোট দেন ৮৪ জন সাংসদ। তবে সেটির বিপক্ষে মত দেন ৯৯ জন সাংসদ। তাই আর বিলটি পাশ হতে সমস্যা হয়নি।

রাজ্যসভায় পাশ হওয়ার পর তিন তালাক বিলটি পাঠানো হবে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের কাছে। তিনি তাতে সই করলেই সেটি আইনে পরিণত হবে। যার পর তাৎক্ষণিক তিন তালাক প্রথা ফৌজদারি অপরাধ বলে গণ্য হবে। সে ক্ষেত্রে স্ত্রীকে তিন তালাক দিলে তিন বছরের কারাবাস হবে মুসলিম পুরুষদের।

তিনটি আসন খালি পড়ে থাকায় এই মুহূর্তে রাজ্যসভার মোট আসন সংখ্যা ২৪২। তাই কোনও বিল পাশ করাতে গেলে বর্তমানে ১২১ সাংসদের সমর্থনের প্রয়োজন হয়। সেখানে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের সদস্য সংখ্যা ১১৩। কিন্তু নীতীশ কুমারের সংযুক্ত জনতা দল (জেডিইউ) এবং অল ইন্ডিয়া আন্না দ্রাবিড় মুন্নেত্রা কাঝগম (এআইএডিএমকে)-এর মতো শরিক দল ওয়াক আউট করলে তাদের সদস্য সংখ্যা এসে দাঁড়ায় ১০৭-এ।

অন্য দিকে, সমাজবাদী পার্টি, বহুজন সমাজ পার্টির মতো বিরোধী দলে সাংসদরা সভা ত্যাগ করলে, এবং তেলঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতি ভোটদান থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিলে, ররাজ্যসভার মোট আসনসংখ্যা এসে ঠেকে ২৩৬-এ। এ ছাড়াও এ দিনের অধিবেশনে বিজেপির অরুণ জেটলি, কংগ্রেসের অস্কার ফার্নান্ডেজ, এনসিপির শরদ পওয়ার এবং প্রফুল্ল পটেল সমেত মোট ১৪ জন সাংসদ অনুপস্থিত ছিলেন। তাতে ভোটাভুটির সময় মোট আসন সংখ্যা আরও কমে দাঁড়ায় ২১৬-।

সে ক্ষেত্রে বিল পাশ করাতে মাত্র ১০৯টি ভোটের প্রয়োজন ছিল কেন্দ্রীয় সরকারের। সেইসসময় তাদের ত্রাতা হয়ে দাঁড়ায় নবীন পট্টনায়কের বিজু জনতা দল (বিজেডি)। এনডিএ-র শরিক না হওয়া সত্ত্বেও তিন তালাক বিলে সমর্থন দেন তাদের ৭ সাংসদ। তাতে তিন তালাক বিলের পক্ষে সমর্থন গিয়ে ঠেকে ১১৩-তে। তার পর আর বিলটি পাশ করাতে আর সমস্যা হয়নি কেন্দ্রীয় সরকারের।

বিপি/আর এল

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি