৭ মে ২০২৬

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরাতে চতুর্থ দিনের আপিল শুনানি চলছে

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৫, ০২:১৯ পিএম
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরাতে চতুর্থ দিনের আপিল শুনানি চলছে

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিতে দায়ের করা আবেদনের ওপর আপিল বিভাগের চূড়ান্ত শুনানি চতুর্থ দিনের আপিল শুনানি চলছে। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের ৭ সদস্যের বেঞ্চে এই শুনানি শুরু হয়।

 

এদিন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেলের পক্ষে শুনানি করছেন আইনজীবী শিশির মনির। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) তৃতীয় দিনের আপিল শুনানি শেষে মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন আপিল বিভাগ।

 

শুনানি শেষে শিশির মনির বলেন, আজ থেকে ৩৬ বছর আগে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য একটি নিরপেক্ষ, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ফর্মুলা দিয়েছিল। সেই ফর্মুলার অধীনেই তিনটি নির্বাচন হয়েছিল। এতদিন পরেও সবাই মনে করছেন, এটাই বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ফর্মুলা।

 

তিনি বলেন, যে প্রক্রিয়ায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করা হয়েছে, তা ছিল পূর্বপরিকল্পিত। সংসদীয় কমিটিও এটি বাদ দিতে চায়নি। এক ব্যক্তির ইচ্ছায় তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিল করে দেশে একনায়কতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।

 

 

শিশির মনির আরও বলেন, এর ফলে রাজনীতি, অর্থনীতি ও সমাজনীতিসহ সব ক্ষেত্রেই বড় ধ্বংস নেমে এসেছে। এখন সবাই আবার এর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে। যদি নির্বাচনব্যবস্থাকে সঠিকভাবে দাঁড় করাতে হয়, তাহলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ফর্মুলাতেই ফিরে যাওয়া জরুরি।

 

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আদালতের যেকোনো আদেশ যেন জুলাই সনদে প্রস্তাবিত সংস্কার প্রক্রিয়া ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আলোচনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।

 

১৯৯৬ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়। ১৯৯৮ সালে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করা হয়, যা ২০০৪ সালে খারিজ করা হয়। পরে ২০১১ সালের ১০ মে আপিল বিভাগ ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেয়।

 

এরপর একই বছরের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাস হয় সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী, যাতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত করা হয়।

 

পরে এ রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট নাগরিক, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। এছাড়া নওগাঁর বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেনও একই আবেদন করেন।

 

বিপি/টিআই

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি