৪ মে ২০২৬

স্বাধীনতা দিবসের উৎসব বঞ্চিত যুক্তরাষ্ট্রের লাখো প্রবাসী

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৯ পিএম
স্বাধীনতা দিবসের উৎসব বঞ্চিত যুক্তরাষ্ট্রের লাখো প্রবাসী
নিজস্ব প্রতিবেদক: যুক্তরাষ্ট্রের সর্বত্র দ্রুতগতিতে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পরায় বাংলাদেশের ৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হলেন লাখ লাখ প্রবাসী। বাংলাদেশিরা যুক্তরাষ্ট্রে আগমনের পর এই প্রথম যুক্তরাষ্ট্রের কোথাও স্বাধীনতা দিবস (২৬ মার্চ) উদযাপন হয়নি। করোনাভাইরাস থেকে নিজেকে ও অন্যদের বাঁচাতে দেশটির ৫০ অঙ্গরাজ্যে গণজমায়াত নিষিদ্ধ করা হয়। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় দুই শতাধিক সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন পুর্ব ঘোষিত স্বাধীনতা দিবস (২৬ মার্চ) এর সকল কর্মসূচি স্থগিত করেন। এদিকে করোনাভাইরাস আতঙ্কে গোটা যুক্তরাষ্ট্রে চার লক্ষাধিক প্রবাসী বাংলাদেশি নিজ নিজ ঘরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘরের বাইরে যাচ্ছেন না। নিউ ইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহর ভুতরে নগরীতে পরিণত হয়েছে। অফিস আদালতসহ নানা ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তাই প্রবাসীরা স্ত্রী সন্তান নিয়ে ঘরে বসেই দিন কাটাচ্ছেন। সীমিত কিছু সংখ্যক মানুষ যারা অতি প্রয়োজনীয় বিভিন্ন দপ্তরে কাজ করেন শুধু তারাই কর্মস্থলে যাচ্ছেন। প্রতি বছর শুধু নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যেই প্রায় অর্ধশত মঞ্চে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস (২৬ মার্চ) উদযাপন করে থাকেন প্রবাসীরা। আয়োজকরা বাধ্য হয়েই এসাব অনুষ্ঠান স্থগিত করেছেন। এছাড়াও অন্যান্য অঙ্গরাজ্যের সব ধরনের অনুষ্ঠানও স্থগিত করা হয়েছে। তবে কোথাও কোথাও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। বাংলাদেশের ৫০তম স্বাধীনতা দিবস আজ (বৃহস্পতিবার)। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে এবছর স্বাধীনতা দিবসের সকল কর্মসূচি বাতিল করেছে সরকার। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে নিরস্ত্র বাঙালির বিরুদ্ধে পাকিস্তান দখলদার বাহিনীর হত্যাযজ্ঞের পর ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ৩০ লাখ মানুষের প্রাণ এবং ২ লাখ নারীর সম্ভ্রমের বিনিময়ে দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর অবশেষে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলাদেশ। বিপি।সিএস
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি