৭ মে ২০২৬

শপথের পর ট্রাম্পের ‘ডিপ স্টেট’ ধ্বংস করার পরিকল্পনা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪১ পিএম
শপথের পর ট্রাম্পের ‘ডিপ স্টেট’ ধ্বংস করার পরিকল্পনা
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে আজ সোমবার শপথ নেবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশটির ফেডারেল সরকারের ওপর তার আগের যেকোনও প্রেসিডেন্টের চেয়ে নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করতে প্রস্তুত ট্রাম্প। এর মধ্যে তিনি ও তার মিত্রদের দাবি করা ‘ডিপ স্টেট’ ভেঙে দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব হস্তান্তর প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত দুটি সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছে। ডিপ স্টেট আসলে কী? ডিপ স্টেট হচ্ছে সরকারের ভেতরে প্রভাবশালী সংস্থা বা গ্রুপ গোপনে সরকারি নীতির হেরফের বা নিয়ন্ত্রণে করে থাকে। আরও স্পষ্টভাবে বলা যায়, এই ডিপ স্টেট কোনও বিধিবদ্ধ কাঠামো নয়। এরা শক্তিশালী গ্রুপ। যারা রাষ্ট্র ও সরকারের মধ্যে সক্রিয় থাকে বিপুল ক্ষমতা নিয়ে। তারা কাজ করে তাদের স্বার্থে, রাষ্ট্র ও সরকারের ক্ষমতা ব্যবহার করে। কিন্তু দায় পড়ে রাষ্ট্র ও সরকারের ওপর। তাদের চেনা যায়, দেখা যায়, কিন্তু সরাসরি তাদের ধরা যায় না। মার্কিন একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের প্রথম দিনেই একটি নির্বাহী আদেশ জারি করতে পারেন তিনি। যার মাধ্যমে প্রায় ৫০ হাজার সরকারি কর্মকর্তার চাকরির সুরক্ষা বাতিল করা হবে। এতে তাদের বদলে ট্রাম্পের পছন্দের ও অনুগত ব্যক্তিদের নিয়োগ দেয়ার সুযোগ তৈরি হবে। আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সরকারের হাজার হাজার রাজনৈতিক নিয়োগ পূরণ করার জন্য চাপ দেবে। সম্ভবত অন্যান্য সাম্প্রতিক প্রেসিডেন্টদের তুলনায় সরকারের কাজকর্মে বেশিসংখ্যক রাজনৈতিক অনুগতকে গভীরভাবে অন্তর্ভুক্ত করাই মূল লক্ষ্য। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্পের দল এরই মধ্যে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের শীর্ষ তিন কূটনীতিকের পদত্যাগ চেয়েছে। তারা দফতরের কর্মকর্তা ব্যবস্থাপনা ও অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম দেখভাল করতেন। এটি ভবিষ্যতে বড় ধরনের পরিবর্তনের সূচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ট্রাম্পের সমর্থকরা বিশ্বাস করেন, তার প্রথম মেয়াদে বিচার বিভাগ, শিক্ষা বিভাগ ও অন্যান্য সরকারি সংস্থায় পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি হয়েছিল অসহযোগী আমলাদের কারণেই। সূত্র: রয়টার্স বিপি/টিআই
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি