৭ মে ২০২৬

সৌদিতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশির সংখ্যা বেড়ে ১৩

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪০ পিএম
সৌদিতে বাস দুর্ঘটনায় নিহত বাংলাদেশির সংখ্যা বেড়ে ১৩
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: সৌদি আরবে আসির প্রদেশে বাস উল্টে নিহত সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ জন। এর মধ্যে ১৩ জন বাংলাদেশি ওমরাহ যাত্রী বলে নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস। বুধবার (২৯ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। নিহত ১৩ বাংলাদেশির পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন- ১। শহিদুল ইসলাম পিতাঃ মোঃ শরিয়ত উল্লাহ, সেনবাগ, নোয়াখালী। ২। মামুন মিয়া পিতাঃ আব্দুল আওয়াল, মুরাদনগর, কুমিল্লা। ৩। মোহাম্মদ হেলাল, নোয়াখালী। ৪। সবুজ হোসাইন, লক্ষ্মীপুর। ৫। রাসেল মোল্লা, মুরাদনগর কুমিল্লা। ৬। মোঃ আসিফ, মহেশখালী কক্সবাজার। ৭। মোঃ ইমাম হোসাইন রনি পিতাঃ আব্দুল লতিফ, টঙ্গী, গাজীপুর। ৮। রুক মিয়া পিতাঃ কালু মিয়া, চাঁদপুর। ৯। সিফাত উল্লাহ, মহেশখালী, কক্সবাজার। ১০। গিয়াস হামিদ, দেবীদ্দার, কুমিল্লা। ১১। মোহাম্মদ নাজমুল পিতাঃ কাওসার মিয়া, কোতোয়ালি যশোর। ১২। রনি, পিতাঃ ইস্কান্দার, যশোর। ১৩। মোহাম্মদ হোসেন, কক্সবাজার। নিহত ১৩ জন ছাড়াও এখনও পর্যন্ত আরও ৫ জন বাংলাদেশী নিখোঁজ রয়েছে এবং ধারণা করা হচ্ছে তারা সবাই মৃত কিন্তু তাদের লাশ পুড়ে যাওয়ায় শনাক্ত করা যাচ্ছে না। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সেহেলী সাবরীন জানিয়েছেন, সৌদি আরবে যে বাস দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেই বাসে ৪৭ জন যাত্রী ছিলেন। এর মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন ৩৫ জন। বাস দুর্ঘটনায় ১৮ বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৭ জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া বাসে ভিন্নদেশি ১২ জন যাত্রীদের মধ্যে ৫ জনকে মৃত এবং ৭ জনকে আহত অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। সূত্র জানায়, সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় আসির প্রদেশে যাত্রীবাহী বাস দুর্ঘটনায় ওমরাহ যাত্রীরা নিহত হয়েছেন। ২৭ মার্চ ওমরাহ যাত্রী বহনকারী বাসটি একটি সেতুতে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। একপর্যায়ে বাসটি উল্টে আগুন ধরে যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আসির প্রদেশ ও আভা শহরের সঙ্গে সংযোগকারী একটি সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারানোয় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। নিহতরা ওমরাহ পালন করতে মক্কা যাচ্ছিলেন। বিপি/কেজে
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি