৫ মে ২০২৬

'সৌদি যুদ্ধ চায় না, তবে ইরান চাইলে আমরাও প্রস্তুত'

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৮ পিএম
'সৌদি যুদ্ধ চায় না, তবে ইরান চাইলে আমরাও প্রস্তুত'

বিদেশ ডেস্ক: ওমান উপসাগরে জাপান ও নরওয়ের দুটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে হামলার ঘটনায় ইরানকে দোষারোপ করেছে সৌদি আরব। সৌদি যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমান বলেছেন, 'মধ্যপ্রাচ্যে আমরা কোনো যুদ্ধ চাই না, তবে আমরা ইরানের যেকোনো হামলা মোকাবিলা করতে প্রস্তুত। সৌদি আরব কোনো ধরনের হুমকিতে বিচলিত হবে না।'

শনিবার (১৫ জুন) দেশটির 'আশরাক আল-আউসাত' পত্রিকায় দেওয়া সাক্ষাৎকারে যুবরাজ সালমান এ মন্তব্য করেন। সৌদি যুবরাজ আরও বলেন, 'সম্প্রতি তেহরানে জাপানি প্রধানমন্ত্রীর সফরটিকে ইরান কোনোভাবেই সম্মানের চোখে দেখছে না। মূলত এর ক্ষোভেই তারা ওমান উপসাগরে সেই তেলের ট্যাঙ্কারগুলোতে হামলা চালিয়েছে। যার মধ্যে একটি ছিল জাপানের।'

এ দিকে সৌদি আরব থেকে পাঠানো এই ট্যাঙ্কারগুলোতে হামলার জন্য ইরান ও ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরাই দায়ী বলে মন্তব্য করেছে রিয়াদ। যার অংশ হিসেবে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে এরই মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি চিঠিও পাঠিয়েছে সৌদি সরকার।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) ওমান উপসাগরে হরমুজ প্রণালির পাশে দুটি তেলবাহী ট্যাঙ্কারে হামলা চালানো হয়। ট্যাঙ্কার দুটির একটি নরওয়ের মালিকানাধীন ফ্রন্ট অলটেয়ার আর অপরটি জাপানের মালিকানাধীন কোকুকা কারেজিয়াস।

হামলার পর থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্ররা বলে আসছে, এর সঙ্গে ইরান সম্পূর্ণভাবে জড়িত। যদিও জাপানি ট্যাঙ্কারের মালিক বেশ কিছু প্রমাণ দেখিয়ে বলেন, 'ইরান নয় এর পেছনে অন্য কোনো দেশের হাত রয়েছে।' আর ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, হামলায় বিধ্বস্ত ট্যাঙ্কাগুলো থেকে তারা নাবিকসহ মোট ৪৪ জনকে উদ্ধার করেছে।

অপর দিকে ‘বিবিসি নিউজ’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন, 'যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এমন একটি ভিডিও রয়েছে, যেখানে ইরানি রেভল্যুশনারি গার্ডকে ক্ষতিগ্রস্ত একটি তেলের ট্যাঙ্কারের একপাশ থেকে একটি অবিস্ফোরিত মাইন সরিয়ে নিতে দেখা যাচ্ছে।' যদিও জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এ বিষয়ে বলেছেন, 'ট্রাম্পের কথার সত্যটা কী, আগে সেটা আমাদের কাছে স্পষ্টভাবে প্রমাণ করতে হবে।'

প্রায় এক মাসের কম সময়ের মধ্যে ওমান উপসাগরে এ নিয়ে মোট ছয়টি ট্যাঙ্কারে চোরাগোপ্তা হামলা চালানো হলো। মাসখানেক আগে অপর একটি হামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের নিকটবর্তী অঞ্চলে বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত হয় আরও অন্তত চারটি তেলের ট্যাঙ্কার। যদিও সেই হামলার পরও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে এর জন্য দায়ী করেছিল। তবে সে বারও তারা তেহরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরণের প্রমাণ উত্থাপন করতে পারেনি।

বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি