৮ মে ২০২৬

শিক্ষকদের নির্দেশে চুল কাটালো অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৮ পিএম
শিক্ষকদের নির্দেশে চুল কাটালো অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী

আব্দুল মালেক নিরব,লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: বিদেশের বিভিন্ন মডেলদের অনুকরন করে চুল রাখায় লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নির্দেশে আজ বুধবার সকালে চুল কাটালো অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী।

জানা গেছে, ওই বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মডেলে স্কুলে আসা-যাওয়া করত। এতে প্রধান শিক্ষক সহ অন্যান্য শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদেরকে এভাবে চুল না কেটে ভদ্র স্টাইলে চুল কেটে স্কুলে আসার জন্য আদেশ করেন।

আজ বুধবার সকালে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের সহায়তায় নাপিত এসে ওই বিদ্যালয়ের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীর চুল কেটে দেন। চুল কাটার মজুরী বাবত যে টাকা এসেছে তা স্কুল কর্তৃপক্ষ পরিশোধ করেন। মাথার দুই পাশে খালি রেখে মাথার তালুতে বিদঘুটে স্টাইলের চুল রাখা এক ছাত্রজানান, আমি একজন পপস্টারের মডেলে চুল রেখেছি। স্যার আমাকে বলেছেন, এভাবে চুল রাখলে খারাপ দেখায়। মানুষের মাঝে আমার এবং বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে।

স্যাররা বলেছেন, তাই কেটে ফেলেছি। রামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সোহরাব হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, আমরা শিক্ষকরা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বুঝাতে সক্ষম হয়েছি এভাবে চুল স্টাইল করে কাটানো ঠিক না। ছেলেদের চেহারার সৌন্দয্য নষ্ট করে দেয় বখাটে স্টাইলের চুল কাটায়। সবচেয়ে বড় কথা হলো, ছাত্ররা শিক্ষকদের সম্মানে সাড়া দিয়ে চুল কাটাতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েছে। প্রায় অর্ধশত ছাত্রের চুল কাটানো হয়েছে। কোন ছাত্রের কাছ থেকে টাকা পয়সা নেয়া হয়নি। রামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও সাবেক মেয়র বেলাল আহম্মেদ বলেন, আমরা অবাক হয়েছি ছাত্রদের আন্তরিকতা দেখে। ছাত্রদের আমরা অনুপ্রেরণা দিয়েছি, তারাও বুঝতে পেরেছে এভাবে চুল কাটা ঠিক না।

বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মান ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে চুল কাটাতে উদ্বুদ্ধ হয়। এছাড়া ভবিষ্যতে এ ভাবে চুল না রাখার প্রতিজ্ঞা করেন।

বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি