
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: জুনের মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি এবং খোলার পর প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে পরিচালিত হবে, আজ বুধবার তার একটি দিকনির্দেশনা দিতে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
অবশ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আগে থেকেই প্রস্তুত, কেনো না তারা জানে, যেকোনো সময় প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার ঘোষণা দেবে সরকার। শিক্ষার্থী-অভিভাবকরাও ভীষণ উদগ্রীব।
প্রায় প্রতিদিনই খোলা হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দরজা। গেল এক বছরের বেশি সময় ধরেই শিক্ষার্থীবিহীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসছেন শিক্ষক ও কর্মচারীরা। কিন্তু, তাতে কী? নিস্তব্ধ-নিষ্প্রাণ ক্লাসরুম। যাদের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তারাই অনুপস্থিত।
প্রতিষ্ঠানের অফিস খোলা কিন্তু কারও মন ভাল নেই। প্রাণোচ্ছ্বল দিনগুলোর স্মৃতিচারণ যেন শুধুই সান্ত্বনা। স্কুলের কর্মচারীরা জানান, শিক্ষার্থীবিহীন এমন শিক্ষাঙ্গন তাদের কাছেও ভালো লাগছে না।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রাণ এর শিক্ষার্থীরা। বিকল্প নেই বলে ঘরবন্দি তারা, করতে হয় অনলাইন ক্লাস। কিন্তু সেটাতো আর স্কুল না। অনলাইনে ক্লাস করা শিক্ষার্থীরা জানান এভাবে ঘরে বসে থাকতে তাদেরও আর ভালো লাগছে না। তারাও ফিরতে চান ক্লাসে।
মহামারিতে সৃষ্ট শিক্ষাঙ্গনের অচলাবস্থা কাটবে কাটবে ভাব। শিগগিরই আসছে তেমন আভাস। শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল জানান, করোনা শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকা এবং আবাসিক শিক্ষার্থীদের যদি ভ্যাকসিনের আওতায় আনা যায় তাহলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া যেতে পারে। তবে, এ বিষয়ে শিগগিরই বিস্তারিত দিকনির্দেশনা দেয়া হবে বলেও জানান শিক্ষা উপমন্ত্রী। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সরকারের আভাসের পর বহুদিন থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে স্কুল-কলেজগুলো।
বিপি২৪/আর এল
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]