৫ মে ২০২৬

শীতে যেভাবে উপকার করে মধু

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৯ পিএম
শীতে যেভাবে উপকার করে মধু

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: প্রাকৃতিকভাবেই মধু নানা গুণের অধিকারী। এর রয়েছে একাধিক রোগ নিরাময়ের ক্ষমতাও। আর শীতে শরীরের উষ্ণতা বাড়াতে বিশেষভাবে সহায়তা করে মধু। কেননা মধু ভালো শক্তি প্রদায়ী একটি খাদ্য। দেহে তাপ ও শক্তি জুগিয়ে উষ্ণতা বাড়ায় মধু। তাই মধু খেলে শীত আপনাকে কাবু করতে পারবে না।

শীতে মধু আরও যে উপকারগুলো করে এবার তা জেনে নিন..

১. শীতে মানুষ সবচেয়ে বেশি ভোগে সর্দি-কাশিতে। তাই কুসুম গরম পানিতে মধু মিশিয়ে খেলে কাশির প্রকোপ কমবে। আর যারা অনেকদিন ধরে খুসখুসে কাশির সমস্যায় ভুগছেন, তারা প্রতিদিন এক চামচ আদার রসের সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেলে দ্রুত আরোগ্য হবেন। তবে এক বছরের কম বয়সী ছোট বাচ্চাদের মধু খাওয়াবেন না।

২. শীতে পোড়া ও কাটাছেড়া সহজে ভাল হয় না। কিন্তু মধুতে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। যা ক্ষত, পোড়া ও কাটা জায়গায় ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে। কোথাও পুড়ে বা কেটে গেলে ক্ষত স্থানে মধুর একটি পাতলা প্রলেপ দিয়ে দিন। ব্যথা কমবে ও দ্রুত নিরাময় হবে।

৩. শীতে পিঠা-পায়েশের সঙ্গে নানা খাবারের স্বাদ যায় বেড়ে, তাই খাওয়ার পরিমাণও যায় বেড়ে। তখন অনেকের হজমে সমস্যা দেখা দেয়। এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে এক টেবিল-চামচ মধু মিশিয়ে খেলে হজম শক্তি বৃদ্ধি পাবে।

৪. ঠাণ্ডায় অনেকের শ্বাসপ্রশ্বাসে সমস্যা হয়। এরকম সমস্যায় মধুর প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বেশ কার্যকরী। চা কিংবা উষ্ণ পানির সঙ্গে মধু মিশিয়ে প্রতিদিন পান করলে উপকার পাবেন।

৫. শীত সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে ত্বকের। মধুতে রয়েছে অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান, যা ছত্রাক ও অন্যান্য কারণে ক্ষতিগ্রস্থ ত্বককে দ্রুত ভালো হতে সাহায্য করে। চর্মরোগ হলে নিয়মিত আক্রান্ত স্থানে মধু লাগান। এক চামচ মধুর সঙ্গে অল্প পানি মিশিয়ে ক্ষতস্থানে ব্যবহার করুন।

৬. অনেকের ঠোঁট ফেটে যায় শীতে। রাতে ঘুমের পূর্বে নিয়মিত ঠোঁটে মধুর প্রলেপ লাগালে ঠোঁটের ওপরের শুষ্ক ত্বক দূর করতে সহায়তা করে। এর ফলে ঠোঁট থাকে নরম, তখন ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা আর থাকে না। আবার ঠোঁটের সৌন্দর্য্যও বৃদ্ধি পায়।

বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি