৪ মে ২০২৬

শেবাচিম হাসপাতালে অপারেশনের সময় শিশুকে চড়থাপ্পড়

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০৭ মার্চ ২০২৬, ১০:০৩ পিএম
শেবাচিম হাসপাতালে অপারেশনের সময় শিশুকে চড়থাপ্পড়

শেবাচিম হাসপাতালে রিমন

বরিশাল প্রতিনিধি:   বরিশালের শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা এক শিশুকে থাপ্পড় মারার অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে। ইনজেকশন দেওয়ার সময় ভয় পেয়ে নড়াচড়া করায় শিশুটিকে মারধরের এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনরা। ঘটনাটি জানাজানি হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত কর্মচারীকে বহিষ্কার করেছে।

ভুক্তভোগী শিশুটির নাম রিমন। সে পটুয়াখালী জেলার বাসিন্দা। জানা গেছে, দুর্ঘটনায় তার হাতের একটি আঙুল কেটে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য শুক্রবার রাতে তাকে বরিশালের শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালে আনার পর দীর্ঘ সময় শিশুটিকে অপেক্ষা করতে হয়। প্রায় ৯ ঘণ্টা পর তার চিকিৎসা শুরু হয়। চিকিৎসকরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানান, বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া আঙুলটি আর জোড়া লাগানো সম্ভব না।

এরপর শিশুটিকে চিকিৎসার অংশ হিসাবে ইনজেকশন দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। এ সময় ইনজেকশনের ভয়ে রিমন চিৎকার করে এবং নড়াচড়া করতে থাকে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অর্থোপেডিক্স বিভাগের অপারেশন থিয়েটারের চিকিৎসকের সহকারী শাহীন (নাজমুল) তার গালে থাপ্পড় মারেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, থাপ্পড় মারার পর শিশুটি কান্না শুরু করে। পরে তার অভিভাবকরা সেখানে গিয়ে দেখেন রিমনের গালে স্পষ্ট আঙুলের ছাপ রয়েছে। থাপ্পড়টি এতোই তীব্র ছিলে যে শিশুটির চোখে ও রক্ত জমাট বেঁধে যায়।

এই ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে হাসপাতালের ওই কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্টরা তাদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে সেখান থেকে বের করে দেন বলেও অভিযোগ করেন স্বজনরা। এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হলে তদন্তের আশ্বাস দেওয়া হয়। শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম মশিউল মুনীর জানান, ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত কর্মচারী শাহীনকে (নাজমুল) সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসঙ্গে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সূত্র: যুগান্তর

বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি