৪ নভেম্বর ২০২৬

রূপপুরে পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহ শুরু: বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন মাইল

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২১ এএম
রূপপুরে পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহ শুরু: বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন মাইল

 


বাংলাপ্রেস ডেস্ক: দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের (ইউনিট-২) ভিভিইআর-১২০০ রিঅ্যাক্টরের প্রারম্ভিক লোডিংয়ের জন্য পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহ শুরু হয়েছে।


বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এই ঐতিহাসিক তথ্য নিশ্চিত করেছে রাশিয়ার পরমাণু শক্তি সংস্থা রসাটম। রসাটমের ফুয়েল ডিভিশনের অধীনস্থ নাভআসিবিরস্ক কেমিক্যাল কনসেন্ট্রেট প্ল্যান্টে উৎপাদিত জ্বালানি অ্যাসেম্বলির প্রথম চালানটি সম্প্রতি একটি বিশেষ কার্গো ফ্লাইটে বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে।

রূপপুর প্ল্যান্ট সাইটে পৌঁছানোর পর জ্বালানি কন্টেইনারগুলোকে একটি নির্দিষ্ট ফ্রেশ নিউক্লিয়ার ফুয়েল সংরক্ষণাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে। পারমাণবিক নিরাপত্তা চাহিদা পূরণ নিশ্চিত করতে সকল জ্বালানি অ্যাসেম্বলিকে বাধ্যতামূলক ভিজুয়াল এবং ইন্সট্রুমেন্টাল পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হবে।

বাংলাদেশ, রাশিয়ার জেনারেল কনট্রাক্টর এবং জ্বালানি প্রস্তুতকারকের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌথ কমিশনের মাধ্যমে পারমাণবিক ও বিকিরণ নিরাপত্তা বিধি কঠোরভাবে মেনে এই পরিদর্শন সম্পন্ন করা হবে।  মানচিত্রদেখুন

এর আগে, ইউনিট-১ এর প্রথম রিফুয়েলিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ফ্রেশ জ্বালানির সব চালানও সফলভাবে সাইবেরিয়া থেকে বাংলাদেশে পৌঁছেছিল।

চলতি ২০২৬ সালেই রসাটমের ইঞ্জিনিয়ারিং ডিভিশন সফলভাবে ইউনিট-১ এর রিঅ্যাক্টর কোরে পারমাণবিক জ্বালানির প্রারম্ভিক লোডিং সম্পন্ন করেছে।

এরপর রিঅ্যাক্টরটি চলতি মাসেই তার সর্বনিম্ন নিয়ন্ত্রণযোগ্য শক্তি স্তরে পৌঁছেছে, যা বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিকে বাংলাদেশের জন্য একটি বড় মাইলফলক।  মানচিত্রদেখুন

জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সংযোগ এবং পরবর্তী পরীক্ষামূলক বাণিজ্যিক অপারেশনের আগে ইউনিটটিকে পাওয়ার অ্যাসেনশন পরীক্ষা এবং নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিতে হবে।

রাশিয়ার নকশাকৃত দুটি জেনারেশন ৩+ ভিভিইআর-১২০০ রিঅ্যাক্টর সমৃদ্ধ রূপপুর এনপিপির মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২,৪০০ মেগাওয়াট।


বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি