৪ মে ২০২৬

রমজানে শিশুদের জন্য সুষম খাদ্য তালিকা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০৮ মার্চ ২০২৬, ১১:৩০ পিএম
রমজানে শিশুদের জন্য সুষম খাদ্য তালিকা

রমজানে শিশুদের জন্য পুষ্টিকর খাবার কী হতে পারে।

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:   পবিত্র রমজান মাস এলেই অনেক শিশুই বড়দের মতো রোজা রাখার আগ্রহ দেখায়। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, ছোটবেলা থেকেই অনেক শিশু ও কিশোর-কিশোরী স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলে না। ফলে রোজার সময় তাদের পুষ্টির ঘাটতির আশঙ্কা থাকে।

তবে কিছু সহজ ও স্বাস্থ্যকর বিকল্প খাবার দিলে শিশুদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি পূরণ করা সম্ভব। কারণ তারা সাধারণত বড়দের মতো বেশি পরিমাণ খাবার খেতে পারে না। তাই অল্প খাবারের মধ্যেই পুষ্টি নিশ্চিত করতে কয়েকটি খাবার বিশেষভাবে উপকারী হতে পারে।

পুডিং

পুডিং একটি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর খাবার। এতে দুধ ও ডিম ব্যবহৃত হয়, যা থেকে প্রথম শ্রেণির প্রোটিন পাওয়া যায়। পাশাপাশি এতে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ উপাদানও থাকে। অনেক শিশু সরাসরি ডিম বা দুধ খেতে না চাইলে পুডিং তাদের জন্য ভালো বিকল্প হতে পারে।

ফ্রুট কাস্টার্ড

ফ্রুট কাস্টার্ড তৈরি করতে দুধ, কাস্টার্ড পাউডার, বাদাম ও বিভিন্ন ফল ব্যবহার করা হয়। এসব উপাদান শিশুদের জন্য বেশ উপকারী। যেসব শিশু ফল খেতে আগ্রহী নয়, তাদের সামনে রঙিন বিভিন্ন ফল দিয়ে কাস্টার্ড পরিবেশন করলে সহজেই তারা ভিটামিন ও খনিজ পেতে পারে।

মিল্কশেইক

রমজানে বিভিন্ন ধরনের মিল্কশেইক শিশুদের জন্য ভালো খাবার হতে পারে। যেমন—কলা, ফল, চকলেট বা প্রোটিন মিল্কশেইক। প্রতিটি ধরনের মিল্কশেইক থেকেই আলাদা পুষ্টিগুণ পাওয়া যায়। প্রতিদিন এক গ্লাস মিল্কশেইক পান করলে রোজার সময় শরীরে পানিশূন্যতা কম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বিশেষ করে কলার মিল্কশেইক ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি পূরণে সহায়ক। তবে বাড়িতে তৈরি এবং চিনি ছাড়া মিল্কশেইক খাওয়াই বেশি স্বাস্থ্যকর। তাজা ফল ব্যবহার করলে তা আরও পুষ্টিকর ও সুস্বাদু হয়।

সবজি খিচুড়ি

অনেক শিশু সবজি খেতে চায় না। তাদের জন্য সবজি খিচুড়ি একটি ভালো বিকল্প হতে পারে। এতে বিভিন্ন ধরনের সবজি যোগ করলে শিশু সহজেই প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান পায়। এই খাবার থেকে ক্যালরি, প্রোটিন ও খাদ্যআঁশ পাওয়া যায়, যা একটি সুষম খাদ্য হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ। সূত্র: যুগান্তর

বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি