রাজধানীজুড়ে কড়া সতর্কতা, নিরাপত্তা বলয়ে দেশ
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: জুলাই হত্যাযজ্ঞের মামলায় শেখ হাসিনা ও আছাদুজ্জামান কামালের রায়ের দিন ধার্য হবে ১৩ নভেম্বর। এমন ঘোষণা আসে ২৩ অক্টোবর, কিন্তু কোনো সমীকরণ না মিলিয়ে ১৩ নভেম্বর রায় নিয়ে প্রচারণা চালায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ। বিদেশে বসে উত্তেজনা ছড়ায় দলটির নেতাকর্মীরা। এরইমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। সারাদেশে বিরাজ করছে চাপা উত্তেজনা। তবে সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
দুর্বৃত্তরা টানা কয়েকদিন ধরে বেশ কিছু স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে চোরাগোপ্তা হামলা চালাচ্ছে। ১৩ নভেম্বর বড় কোনো নাশকতা যেন না ঘটাতে পারে সেজন্য সজাগ সরকার। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, দুষ্কৃতকারীরা ঢাকাসহ সারাদেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যে তারা বেশকিছু স্থাপনার ভেতরে-বাইরে ককটেল বিস্ফোরণ, ধারাবাহিকভাবে কিছু বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, ১৩ নভেম্বর সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বিমানবন্দর, রেলস্টেশন, মেট্রোরেল স্টেশন, নৌ ও বাস টার্মিনালসহ সব ধরনের গণপরিবহন কেন্দ্র এখন কড়া নজরদারিতে রয়েছে। বিশেষ করে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, কমলাপুর রেলস্টেশন ও উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেল রুটে বাড়ানো হয়েছে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি।
পুলিশ জানায়, ১৩ নভেম্বর কেন্দ্র করে সম্ভাব্য যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আগাম সতর্কতা নেয়া হয়েছে। ঢাকার সব প্রবেশপথে বাড়ানো হয়েছে চেকিং, যাত্রী, লাগেজ স্ক্যানিং এবং সিসি ক্যামেরা মনিটরিং। মেট্রোরেল ও রেলস্টেশনগুলোর প্রবেশদ্বারে বাড়ানো হয়েছে আর্চওয়ে মেটাল ডিটেক্টর।
পুলিশ বলছে, কোনো সুনির্দিষ্ট থ্রেট না থাকলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সব তথ্য গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। সে অনুযায়ী নেওয়া হচ্ছে সর্বাত্মক প্রস্তুতি। প্রত্যেকটি বিষয় নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। শুধু তাই নয়, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা এরই মধ্যে শুরু করেছে আভিযানিক কার্যক্রম। ডিএমপির প্রত্যেক ক্রাইম ডিভিশনেই বাড়ানো হয়েছে আভিযানিক টিম। নিষিদ্ধ দলের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারে নেয়া হচ্ছে প্রযুক্তিগত সহায়তা।
এদিকে ভোর থেকে রাজধানীর মোড়ে মোড়ে অবস্থান নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। সন্দেহভাজন কাউকে দেখলে করছে তল্লাশি। নাশকতার চেষ্টার সময় ইতোমধ্যেই কয়েকজনকে আটকও করা হয়েছে।
বিপি/টিআই
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি