রাজাপুরে মেয়েকে কটুক্তির পাল্টাপাল্টি অভিযোগে দুই নারীকে কুপিয়ে জখম
আজমীর হোসেন তালুকদার, ঝালকাঠি থেকে: মেয়েকে কটুক্তির করার পাল্টাপাল্টি অভিযোগে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা চেয়ারম্যানের গাড়ীর ড্রাইভারের স্ত্রী ও তার বড় বোনসহ দুই নারীকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
রাজাপুর উপজেলায় সন্ত্রাসীদের অভয়ারন্য শুক্তাগড় এলাকায় বৃহস্পতিবার (২৫জুন) রাত ৮ টার দিকে আহতদের নিজ বসত বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রাজাপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আহত ড্রাইভার শহিদুল ইসলামের স্ত্রী নয়ন বেগম (৩৫) ও নয়ন বেগমের বড় বোন কাজল বেগম (৪০) বর্তমানে রাজাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এদিকে অভিযুক্ত অটোরিক্সা চালক আলমগীর হোসেন তার মেয়েকে ড্রাইভার শহিদুল ইসলাম যৌন হয়রানী করার প্রতিবাদ করায় তাকে দুই দফা মারধর করার পাল্টা অভিযোগ করেছে।
এ ব্যাপারে সেও রাজাপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে বলে দাবী করেছে। এ বিষয়ে শহিদুল ইসলাম জানায়, তাদের একই গ্রামের প্রতিবেশি মৃত. আ: হকের ছেলে আলমগীর হোসেন ঘটনার দিন তার প্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে অশ্লীল কটুক্তি করলে তার স্ত্রী নয়ন বেগম এর প্রতিবাদ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আলমগীর তার স্ত্রী, ছেলে-মেয়েসহ ধারালো অস্ত্র নিয়ে নয়ন বেগমের উপর ঝাপিয়ে পরে। এসময় নয়ন বেগম কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করলে তার ডাকচিৎকারে বড় বোন কাজল বেগম ছুটে আসলে তাকেও কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। তৎক্ষনাত স্থানীয় এলাকাবাসী উদ্ধার করে আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসেন। অন্যদিকে অটোরিক্সা চালক আলমগীর হোসেন অভিযোগ করে, তার সাবলাক মেয়েকে ড্রাইভার শহিদুল প্রায় কুপ্রস্তাব ও যৌন হয়রানি করার ঘটনার প্রতিবাদ করায় গত বৃহস্পতিবার বিকালে শহিদুল তাকে মারধর করে।
এ ঘটনায় সে মোল্লারহাট বাজারে স্থানীয় আলীগ নেতা কাজল মোল্লার কাছে অভিযোগ করলে তাদের সামনে শহিদুল পুনরায় তাকে মারধর করে। এঘটনার জের রাতে প্রতিবেশী দুই পরিবারের মহিলার মারামারিতে জড়িয়ে পরে। রাজাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, রাত সাড়ে ৮ টার দিকে মাথায় রক্তাক্ত জখমী অবস্থায় মধ্যে বয়সী দুই নারী চিকিৎসা নিতে আসলে উভয়কে চিকিৎসা দিয়ে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি রাখা হয়।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আলমগীর হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোপানোর অভিযোগ অস্বিকার করে বলেন, আমরা তাদেরকে মারিনী বরং তারা দলবদ্ধ হয়ে আমাকে, আমার মেয়ে ও স্ত্রীসহ সবাইকে মারধর করায় আমরা আহত হয়েছি। এ বিষয়ে রাজাপুর থানা ওসি তদন্ত আবুল কালাম জানান, তারা মারামারির ঘটনায় একটি ভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়ে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
বিপি/কেজে
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
আন্তরিকতার সঙ্গে দেশসেবা করতে নবীন সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি