
বিদেশ ডেস্ক: ভুটানের প্রধানমন্ত্রী হয়েও প্রতি সপ্তাহের শনিবার রোগী দেখেন লোটে শেরিং। এমনকি বৃহস্পতিবার সকালে শিক্ষানবিস ও চিকিৎসকদেরকে চিকিৎসা বিষয়ক পরামর্শ দেন তিনি। আর ছুটির দিন রোববার সময় দেন পরিবারকে।
বৃহস্পতিবার একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য জানায় ফ্রান্সের সংবাদ সংস্থা এএফপি। ২০০৮ সালে দেশটিতে রাজতন্ত্রের অবসানের পর গত বছর অনুষ্ঠিত তৃতীয় গণতান্ত্রিক নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন শেরিং।
৫০ বছর বয়সী এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ পরিচালনার মতো কঠিন কাজের চাপ থেকে নিজেকে একটু হলেও মুক্ত রাখার জন্য সপ্তাহের এই দিনে রোগীদেরকে সেবা করার মাধ্যমে সময় কাটানোর চেষ্টা করি।
দেশটিতে অন্যতম সেরা শল্যবিদ হিসেবে পরিচিত শেরিং বলেন, কিছু মানুষ গলফ খেলে, কিছু মানুষ আর্চারি খেলে সময় কাটায়। আর আমি অস্ত্রোপচার করি। আমি সপ্তাহের শেষ দিনটি শুধু এখানেই কাটাই।
প্রধানমন্ত্রী যখন হাসপাতালে থাকেন, তখন কেউ ইতস্তত বোধ করে না। কারণ তিনি ফ্যাডেড ল্যাব কোট ও ক্রকস পরে পুরোদস্তুর চিকিৎসকের বেশে ব্যস্ত করিডোরগুলোর একটি থেকে আরেকটিতে হেঁটে যান।
কোনও এক শনিবার ভুটানের জিগমে দর্জি ওয়াংচুক ন্যাশনাল রেফারেল হাসপাতালে শেরিংয়ের একটি সফল অস্ত্রোপচারের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে ফ্রান্সভিত্তিক সংবাদ সংস্থাটিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনটিতে।
বাংলাদেশের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের সাবেক ছাত্র হলেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করা শেরিং ২০১৩ সালে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন।
বিপি/কেজে
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]