৪ নভেম্বর ২০২৬

পাঁচ হাজার টাকা ছিল মিমের প্রথম সম্মানী, এখন পারিশ্রমিক কত?

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
পাঁচ হাজার টাকা ছিল মিমের প্রথম সম্মানী, এখন পারিশ্রমিক কত?

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:  অভিনয়জীবনের শুরুতে প্রথম পারিশ্রমিকের অঙ্কটা হয়তো খুব বড় ছিল না, কিন্তু অনেক তারকার কাছে সেই উপার্জন আজও বিশেষ স্মৃতি। সেই স্মৃতি এখনো যত্নে রেখে দিয়েছেন চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম। নাটক থেকে তিনি এখন সিনেমার নায়িকা। সময়ের সঙ্গে তাঁর পরিচিতি ও কাজের পরিধি বেড়েছে; তবে শুরুর সেই দিনগুলোর কথা ভোলেননি অনেকেই। মিমের প্রথম পারিশ্রমিকের গল্প দেখে নিতে পারেন।

বিদ্যা সিনহা মিমের অভিনয়জীবনের শুরুটা হয়েছিল ছোট পর্দা দিয়ে। তবে চলচ্চিত্রে পরিচিতি পাওয়ার আগে তাঁর জীবনে আসে এক বিশেষ অভিজ্ঞতা—প্রয়াত কথাসাহিত্যিক ও নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের পরিচালনায় নাটকে অভিনয়। সে নাটক থেকেই আসে প্রথম পারিশ্রমিক। সেই নাটকের জন্য সম্মানী পেয়েছিলেন পাঁচ হাজার টাকা। মিম জানিয়েছেন, হুমায়ূন আহমেদের কাছ থেকে পাওয়া প্রথম সম্মানীর টাকা তিনি এখনো যত্ন করে রেখে দিয়েছেন। এই স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে আছে তাঁর অভিনয়জীবনের শুরুর দিনগুলোর গল্প।লাক্স প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হওয়ার পর মিমের সামনে খুলে যায় অভিনয়ের নতুন দরজা।

কালো গাউনে নজর কাড়লেন বিদ্যা সিনহা মিম

 শুরুতে মডেলিং করেন, এরপর নাটকে অভিনয়ের সুযোগ আসে। হুমায়ূন আহমেদের পরিচালনায় ‘রহস্য’ নাটকে অভিনয় ছিল তাঁর প্রথম দিকের কাজগুলোর একটি। নাটকটির জন্য পাওয়া পাঁচ হাজার টাকাই ছিল তাঁর প্রথম সম্মানী। পরে এক সাক্ষাৎকারে মিম জানান, সেই টাকা তিনি মায়ের হাতে দিয়েছিলেন। তবে হুমায়ূন আহমেদের কাছ থেকে পাওয়া প্রথম সম্মানী হওয়ার কারণে টাকাটির স্মৃতি তাঁর কাছে বিশেষ হয়ে আছে।

পথ সহজ ছিল না
তবে মিমের শোবিজে আসার পথ অবশ্য শুরু হয়েছিল আরও আগে। ২০০৭ সালে ‘লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বিজয়ী হন তিনি। প্রতিযোগিতার আগে প্রায় দুই বছর ধরে মিডিয়ায় কাজের চেষ্টা করেছিলেন মিম। শুরুর দিকে অভিনয়ের প্রস্তাব পেলেও তিনি চেয়েছিলেন প্রধান বা নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করতে। একবার অভিনেতা জাহিদ হাসানের বোনের চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাবও পেয়েছিলেন, কিন্তু করেননি। পরে তাঁর প্রথম চলচ্চিত্রে জাহিদ হাসানকেই সহশিল্পী হিসেবে পান তিনি।

প্রথম সিনেমায় অভিনয়
এরপর ২০০৮ সালে হুমায়ূন আহমেদের ‘আমার আছে জল’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় মিমের। ছবিতে অভিনয়ের সুযোগকে নিজের জীবনের মোড় ঘোরানো ঘটনা হিসেবে দেখেছেন তিনি। শুরুতেই এমন একজন নির্মাতার সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা তাঁর আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছিল। ছবিতে অভিনয়ের সময় তিনি ছিলেন নতুন; আর সহশিল্পীদের মধ্যে ছিলেন দেশের প্রতিষ্ঠিত অভিনয়শিল্পীরা। হুমায়ূন আহমেদ তাঁর সেই জড়তা কাটাতে সাহায্য করেছিলেন বলে মিম পরে স্মৃতিচারণা করেছেন।

এখন পারিশ্রমিক

‘আমার আছে জল’ মুক্তির পর মিমের অভিনয় প্রশংসা পায়। ছবিটি তাঁকে চলচ্চিত্রে পরিচিতি এনে দেয় এবং ২০০৯ সালে মুক্তি পায় তাঁর দ্বিতীয় ছবি ‘আমার প্রাণের প্রিয়া’। এরপর ‘জোনাকির আলো’, ‘তারকাঁটা’, ‘ইত্তেফাক’, অন্তর্জাল’, ‘পদ্ম পাতার জল’, ‘পরাণ’, ‘দামাল’সহ বিভিন্ন চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন তিনি। গত বছর একটি তথ্যে জানা গিয়েছিল, এই নায়িকা প্রতি সিনেমার জন্য বর্তমানে ১৫ লাখ টাকার বেশি নেন। আর চলচ্চিত্রে অভিষেকেই পেয়েছেন তিন লাখ টাকা।
বিপি > এসপি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি