৪ মে ২০২৬

অসমাপ্ত কাজ ফেলে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছি: এস কে সিনহা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৭ পিএম
অসমাপ্ত কাজ ফেলে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছি: এস কে সিনহা
নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি : অসমাপ্ত কাজ ফেলে রেখে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা।একটা কঠিন পরিস্থিতির শিকার হয়ে তিনি দেশ ছাড়েন বলে উল্লেখ করেন। গত শনিবার নিউ ইয়র্কের কুইন্সে লোকনাথ সোসাইটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যকার বিরাজমান আইনি সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য সচেষ্ট চেষ্টা চালিয়েছেন।তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেই অসমাপ্ত কাজ শেষ না হতেই দেশ ছাড়তে তিন বাধ্য হয়েছেন। কবে দেশে ফিরে যাবেন সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের কোন সঠিক জবাব দেননি তিনি। দেশ ছাড়ার পর গত ছয় মাসেরও বেশি সময় ধরে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে বসবাস করছেন। দেশ ছাড়ার পর এই প্রথম তিনি কোনো জনসমাগমে বক্তব্য রাখেন। এসকে সিনহা বলেন, সেই ব্রিটিশ আমল থেকে হিন্দু আইনে নানা জটিলতা রয়েছে। বিচারপতি হওয়ার সুবাদে হিন্দু আইনে সংস্কার আনার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু মুসলিম বিচারপতিদের অসহযোগিতায় সেটি করা সম্ভব হয়নি। কারণ মুসলিমপ্রধান দেশ তারা চায় না ধর্মীয় আইনে হাত দিতে। অবশেষে আমাকে আমার অসমাপ্ত কাজ রেখেই বিদায় নিতে বাধ্য হতে হয়েছে। তিনি আরো বলেন, হিন্দুরা ঐক্যবদ্ধ নয়। কারো নেতৃত্ব মানেন না। এ ছাড়া নিজ ধর্মের প্রতিও কোন আত্মোৎসর্গ নেই। যার ফলে আমাদের সন্তানরা হিন্দু ধর্ম সম্পর্কে কিছুই জানতে পারছে না। সাবেক বিচারপতি বলেন, নিউ জার্সিতে চারটি পরিত্যক্ত চার্চ কিনে মুসলমানরা সেখানে মসজিদ করে ধর্মীয় সকল কাজ সম্পাদন করেছেন। এটি তাদের বিশ্বাস এবং আত্মোৎসর্গের কারণে হয়েছে। তাদের সন্তানরা শনি ও রোববার সেখানে কুরআন শিখছে। কিন্তু আমরা আমাদের সন্তানদের জন্য কিছুই করছি না। তিনি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিভাজন ভুলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার জন্য আহ্বান জানান।
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি