৬ মে ২০২৬

অপহরণের ৩৯ দিনেও উদ্ধার হয়নি স্কুল ছাত্রী

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৮ পিএম
অপহরণের ৩৯ দিনেও উদ্ধার হয়নি স্কুল ছাত্রী

রওশন আলম পাপুল, গাইবান্ধা থেকে : গাইবান্ধা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণের ৩৯ দিন অতিবাহিত হলেও তাকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। ওই স্কুল ছাত্রী বেঁচে আছে কিনা তাও জানে না বাবা-মা।

মামলার এজাহার সুত্রে জানা যায়, গাইবান্ধা পৌর এলাকার পূর্বপাড়ার এক বাসিন্দার ১৪ বছর বয়সী দশম শ্রেণি পড়–য়া মেয়েটি গত ২০ ফেব্রুয়ারি দুপুরে শহরের প্রতিভা কোচিং সেন্টারে যাবার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। কোচিংয়ে যাওয়ার পথে সদর উপজেলার খোলাহাটী ইউনিয়নের বারুইপাড়া গ্রামের বাদল মিয়ার ছেলে মো. আল-আমিন ও তার সহযোগিরা ছাত্রীটিকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়।

এই ঘটনায় ছাত্রীটির চাচা ওইদিন বিকেলে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে ওই ছাত্রীর বাবা আল-আমিনের বাড়িতে গিয়ে মেয়েকে ফেরত চাইলে তারা দেই-দিচ্ছি বলে কালক্ষেপন করে আল-আমিনের সাথে তার মেয়ের বিয়ের প্রস্তাব দেয়। মেয়েকে উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে ছাত্রীটির বাবা গত ২২ ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধা সদর থানায় মেয়ে অপহরণের অভিযোগে একটি এজাহার করেন। পরে পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি সেটিকে অপহরণ মামলা হিসেবে রেকর্ড করে। ওই স্কুল ছাত্রীর বাবা বলেন, আসামিরা আমার মেয়েকে হত্যার পর গুম করতে পারে। সে অপহরণের পর থেকে আজ অবধি কোন যোগাযোগ হয়নি মেয়ের সাথে। মেয়েকে উদ্ধারের জন্য জন-প্রতিনিধিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও এখন পর্যন্ত তাকে উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

এ ব্যাপারে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খান মো. শাহরিয়ার বলেন, আমাদের সব ধরনের প্রযুক্তি দিয়ে চেষ্টা করছি মেয়েটিকে উদ্ধারের জন্য। ইতোমধ্যে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বিভিন্ন জেলায় গেছে মেয়েটিকে উদ্ধার করতে। আশা করছি, খুব দ্রুতই উদ্ধার হবে মেয়েটি।

বিপি/আর এল

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি