অবৈধ প্রবেশ ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে ৫ হাজার সৈন্য
বাংলা প্রেস
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৮ পিএম
নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি: অবৈধ পথে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ ঠেকাতে মেক্সিকো সীমান্তে প্রায় ৫ হাজার সেনা মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অব্যাহতভাবে সীমান্তে অভিবাসীদের প্রবেশ ঠেকাতে সেনা মোতায়েনের কথা বলে আসছেন। এতে চাপে পড়েছে পেন্টাগন। তাদেরকে শেষ পর্যন্ত প্রেসিডেন্টের ইচ্ছানুযায়ী সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে। তবে এক্ষেত্রে বিবেচনায় রাখতে হচ্ছে মার্কিন আইনকে। দেশটিতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার কাজে সেনাবাহিনীকে নিয়মিত ব্যবহার না করার বিষয়ে আইন রয়েছে।
সর্বশেষ জানানো হয়েছিলো সীমান্তে অভিবাসী ঢল ঠেকাতে ৮০০ জন সেনা পাঠাতে পারে। কিন্তু এবার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, সংখ্যাটি আরও অনেক বেশি। সোমবার এক প্রতিবেদনে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, প্রতিদিনই অভিবাসীর সংখ্যা কমছে। বিগত ১৫ বছরে এমনটাই দেখা গেছে যে সীমান্তে আসতে আসতে মূল সংখ্যক অভিবাসী থাকে না। প্রবেশের সুযোগ পায় আরও কম।
চলতি বছর শুরুর দিকে সীমান্তে ২ হাজার ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করেছিলো ট্রাম্প প্রশাসন। সেখানে অভিবাসী ও বাণিজ্যিক কাজে আসা বিদেশিদের প্রক্রিয়া দেখার জন্য দায়িত্বে ছিলন ১৫ হাজার শুল্ক কর্মকর্তা।
বৃহস্পতিবার অভিবাসীদের দলটি গুয়েতেমালা-মেক্সিকো সীমান্ত থেকে ৮০ মাইল দূরে অবস্থিত মাপাসটেপেক শহর ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রের দিকে দিকে এগোতে শুরু করেছে। এই দলে প্রায় চার হাজার সদস্য রয়েছে, যাদের বেশিরভাগই পুরুষ। মধ্য আমেরিকা থেকে মেক্সিকো হয়ে তারা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে চায়।
ট্রাম্প প্রশাসনের ‘জিরো টলারেন্স নীতি’র আওতায় অবৈধ অভিবাসন প্রত্যাশীদের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া আটক অভিযান ও মামলার জেরে আড়াই হাজার শিশু পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়। শিশুরা আইনের চোখে অপরাধী না হওয়ায় তাদেরকে আটক মা-বাবার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়। মার্কিন অভিবাসন কর্মকর্তারা জানান, শুধু ৫ মে থেকে ৯ জুন পর্যন্ত ২ হাজার ২০৬ জন বাবা-মার কাছ থেকে ২ হাজার ৩৪২ জন শিশুকে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। সাবেক ও বর্তমান ফার্স্ট লেডি, রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট নেতাসহ নির্বিশেষে ট্রাম্প প্রশাসনের শিশু বিচ্ছিন্নকরণ পদক্ষেপের সমালোচনা করেন। ফুঁসে ওঠে সাধারণ মার্কিনিরাও। দেশের বাইরেও ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ ও কানাডীয় প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোসহ অনেকেই সমালোচনা করেন। বর্তমানে এ বিষয়টি শিথিল রয়েছে।
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
আন্তর্জাতিক
নিউ ইয়র্কে হাসপাতাল অবরুদ্ধকালে পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে ৯ জন গ্রেপ্তার
২০ ঘন্টা আগে
by বাংলা প্রেস
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি