ন্যাশনাল সার্ভিসের উপকারভোগীদের চাকরি স্থায়ী করা হবে : লক্ষ্মীপুরে বিমান মন্ত্রী

আব্দুল মালেক নিরব, লক্ষ্মীপুর থেকে : একাদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ী হলে সংসদের প্রথম অধিবেশনে ন্যাশনাল সার্ভিসের উপকারভোগীদের চাকরি স্থায়ী করণের বিষয়টি উত্থাপন করা হবে। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরাধীন ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার যে সকল যুব-যুবমহিলাদের চাকরির মাধ্যমে অস্থায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে। আগামী সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করতে পারলে অবশ্যই সকল উপকারভোগীর চাকরি স্থায়ী করণ করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২০ ডিসেম্বর) সকালে জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের হল রুমে এক মতবিনিময় সভায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এ কে এম শাহজাহান কামাল এ কথা বলেন। তিনি লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) সংসদীয় আসনের আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট মনোনীত নৌকা প্রতিক প্রার্থী।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মো. হাফিজ উল্যাহ, কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন লিকা, জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু জাফর, সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আনিছুজ্জামান, বাংলাদেশ ন্যালনাল সার্ভিস একতা কল্যাণ পরিষদ চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সভাপতি মো. জুলফিকার হোসেন জুয়েল, সদস্য মো. রিয়াজ হোসেন প্রমূখ।মন্ত্রী উপস্থিত উপকারভোগীদের কাছে নৌকায় ভোট চেয়ে বলেন, দেশে যে দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে তা আওয়ামী লীগ সরকারের হাত ধরেই হয়েছে। শেখ হাসিনার হাত ধরে বাংলাদেশ আজ মধ্যম আয়ের দেশে রুপান্তরিত হয়েছে। কিন্তু বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিলেন, তখন দেশের উন্নয়নের চেয়ে লুটপাট করে নিজ উন্নয়নকেই গুরুত্ব দিয়েছেন। তাইতো আজ দল প্রধান একজন কারাগারে অন্যজন দেশের বাইরে পলাতক রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার মুক্তযোদ্ধাদের ভাতা বাড়িয়ে যথাযথ সম্মান দিয়েছে। অন্যদিকে বিএনপি স্বাধীনতার বিরোধীতাকারী দল জামায়াতকে মন্ত্রী বানিয়ে তাদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা তুলে দিয়েছেন। যুদ্ধাপরাধি দল জামায়াত নেতাদের গাড়িতে পতাকা তুলে দিয়ে বিএনপি দেশকে, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করেছে।
প্রোগ্রামের শুরুতে মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পরে ন্যাশনাল সার্ভিসের উপকারভোগীরা চাকরি স্থায়ী করণের দাবিতে একটি স্বারকলিপি মন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। উল্লেখ্য, লক্ষ্মীপুর জেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মাধ্যমে ৩৬৮ জন বেকার যুব-যুবমহিলা প্রশিক্ষন গ্রহন করেন। এর মধ্যে সদর উপজেলার বিভিন্ন সেবামুলক প্রতিষ্ঠানে ৩২১ জন প্রশিক্ষনার্থী চাকরি করছেন। এ কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগীদের চাকরির মেয়ার ২ বছর।
বিপি/শাকিলা
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
আন্তরিকতার সঙ্গে দেশসেবা করতে নবীন সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি