৪ মে ২০২৬

নিউ ইয়র্কে নিখোঁজের ১৩ দিন পর বাংলাদেশি কলেজ ছাত্রের মৃতদেহ উদ্ধার

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৯ পিএম
নিউ ইয়র্কে নিখোঁজের ১৩ দিন পর বাংলাদেশি কলেজ ছাত্রের মৃতদেহ উদ্ধার
নিজস্ব প্রতিবেদক: যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক থেকে নিখোঁজ হবার ১৩ দিন পর বাংলাদেশি কলেজ ছাত্রের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মা-বাবার ওপর রাগ করে গত ১৩ সেপ্টেম্বর আশফাকুল ইসলাম তৃপ্তির (১৮) নামের এ কলেজ ছাত্র জ্যাকসন হাইটসের এলমহাস্টের বাসা থেকে চলে যাবার পর আর ফিরে আসেনি। গত শনিবার নিউ ইয়র্ক সিটির হাডসন নদী থেকে তার মৃতদেহ লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তৃপ্তি আত্মহত্যা করেছে পুলিশের জানিয়েছেন। জানা যায়, ২০১০ সালে মা-বাবার সাথে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন তৃপ্তি। হাই স্কুল থেকে কৃতিত্বের সাথে গ্র্যাজুয়েশনের পর গত আগষ্টে সে ভর্তি হয় নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটিতে। কিন্তু মহামারী করোনার কারণে ক্লাস শুরু হয়নি। বাংলাদেশি অধ্যুষিত নিউ ইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটস সংলগ্ন এলমহার্স্টে মা আশুরা বেগম ও বাবা আরিফুল ইসলাম তুহিনের সাথে থাকতেন আশফাকুল ইসলাম তৃপ্তি। তাদের দেশের বাড়ী বরিশাল সদরে। তৃপ্তির বাবা আরিফুল ইসলাম তুহিন নিউ ইয়র্ক মহানগর বিএনপি’র যুগ্ম সম্পাদক। তৃপ্তির মা-বাবার দীর্ঘদিনের আশা ছিল আমেরিকায় একটি বাড়ি কেনার। সেই স্বপ্ন পূরণের অভিপ্রায়ে পেনসিলভেনিয়া ষ্টেটের ফিলাডেলফিয়ায় একটি বাড়ি ক্রয়ের চেষ্টা করছিলেন। এ নিয়ে তাদের একমাত্র সন্তান তৃপ্তির সাথে মতানৈক্য দেখা দেয়। গত ১৩ সেপ্টেম্বর মা-বাবার সাথে তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ে তৃপ্তি বাসা থেকে বাইরে চলে যায়। তৃপ্তি তিন দিনেও বাড়ি না ফিরলে পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশের কাছে অভিযোগ করা হয়। অবশেষে ২৬ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কের পুলিশ তাদেরকে জানায় যে, হাডসন নদী থেকে একটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সেটি তাদের ছেলের কিনা। এ সময় লাশের একটি ছবিও পাঠানো হয়। তা দেখে ভেঙ্গে পড়েন মা ও বাবা। গত ১৫ সেপ্টেম্বর তৃপ্তির লাশটি নদী থেকে উদ্ধার করলেও ১০ দিন পর পুত্রের লাশের সন্ধান পেয়েছেন মা-বাবা। এদিকে, আশফাকুল ইসলাম তৃপ্তির নামাজে জানাজা গত সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর ) জ্যাকসন হাইটস মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তার মরদেহ নিউজার্সির মুসলিম কবরস্থানে দাফন করা হয়। বিপি।এসএম
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি