৫ মে ২০২৬

জামিন ছাড়াই মুক্ত

নিউ ইয়র্কে সশস্ত্র ডাকাতির অভিযোগে অভিবাসী চক্রের চার সদস্য গ্রেপ্তার

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:২১ বিকাল
নিউ ইয়র্কে সশস্ত্র ডাকাতির অভিযোগে অভিবাসী চক্রের চার সদস্য গ্রেপ্তার

নিউ ইয়র্ক পুলিশ

ইমা এলিস: নিউ ইয়র্ক সিটিতে বুধবার রাতে একটি সশস্ত্র ডাকাতির ঘটনায় জড়িত একটি অভিবাসী ডাকাত চক্রকে গ্রেপ্তার করা হলেও পরে বিচারকের আদেশে জামিন ছাড়াই মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে শনিবার পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সূত্র জানায়।
পুলিশ জানায়, বুধবার রাত প্রায় ১১টা ৩০ মিনিটে ম্যানহাটনের ওয়েস্ট ৪৭তম স্ট্রিটে নাইন্থ অ্যাভিনিউ ও টেন্থ অ্যাভিনিউয়ের মাঝামাঝি এক দম্পতিকে লক্ষ্য করে ডাকাতি চালায় চক্রটি।
৫৭ বছর বয়সী এক ভুক্তভোগী পুলিশকে জানান, পাঁচজন ব্যক্তি তাঁদের কাছে এসে মালামাল দাবি করে; তাদের মধ্যে তিনজনের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। এক ডাকাত বন্দুক তাক করে ওই পুরুষের দিকে, আরেকজন তাঁর পকেট থেকে একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। তারা নারী ভুক্তভোগীর কাছ থেকেও জিনিসপত্র দাবি করলেও শেষ পর্যন্ত তাঁর কাছ থেকে কিছু না নিয়েই পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে চারজনকে আটক করে। কাছাকাছি এলাকা থেকে দুটি নকল আগ্নেয়াস্ত্র ও একটি আসল বন্দুক উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন উইলসন এদুয়ার্দো (১৮), এমারসন ভ্যালেনজুয়েলা (২০), ক্রিস্টোফার সেরানো (১৮) এবং এডউইন রামোস (১৮)। তাঁদের বিরুদ্ধে ডাকাতি, অস্ত্রের অবৈধ দখল, চুরি করা সম্পত্তি রাখা ও ভয় দেখানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।
অনলাইন আদালতের নথি অনুযায়ী, চারজনই নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন এবং অর্থবিহীন শর্তে মুক্তি পান।
পুলিশ সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে তিনজনের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই)–এর ডিটেইনার ছিল। তবে ঠিক কারা আইসিই–এর তালিকাভুক্ত ছিলেন, তা স্পষ্ট নয়।
এই চক্রটি অন্য কোনো ডাকাতির সঙ্গে জড়িত কি না, সে বিষয়েও তদন্ত চলছে। ঘটনাটি প্রথম এক্স–এ (সাবেক টুইটার) ভাইরালনিউজএনওয়াইসি অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করা হয়।

(*এই প্রতিবেদনটি বাংলা প্রেসের তৈরি। অনুমতি ছাড়া আমাদের বিষয়বস্তু, ছবি বা সম্প্রচার অন্য কোনো সংবাদমাধ্যমে পুনঃপ্রকাশ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ)।

বিপি/এসএম

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি