নির্বাচনী উত্তাপ যেন উত্তপ্ত না হয় : কে এম নূরুল হুদা

বাংলাপ্রেস অনলাইন : প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, ‘নির্বাচনী উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। তবে উত্তাপ যেন উত্তপ্ত না হয়।’ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিলনায়তনে বিচারিক হাকিমদের উদ্দেশে তিনি এ কথা বলেন।
সিইসি বলেন, ‘এটা বলার এবং বোঝার অপেক্ষা রাখে না যে নির্বাচনের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। শুধু আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে যে উত্তাপের এই পরিবেশ যেন উত্তপ্ত না হয়। উত্তপ্ত হয়ে নির্বাচনী পরিবেশ যেন ব্যাহত না হয়, ব্যাঘাত না ঘটে। সে কারণে আমাদের এই আয়োজন। আমাদের প্রস্তুতি।’ তিনি আরও বলেন, ‘একটা সময় সাধারণ মানুষ ও বিচারকদের মধ্যে একটা অদৃশ্য কৃত্রিম দেয়াল ছিল। সেটি ক্রমেই সরে যাচ্ছে। আমি মনে করি যারা বিচার করবেন এবং যাদের মধ্যে বিচার, তাদের মধ্যে এত বড় দেয়াল থাকার প্রয়োজন ছিল না। নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে সেই দেয়াল আরও কিছুটা শিথিল হবে। মানুষের কাছাকাছি গিয়ে বুঝতে পারবেন তাঁরা কী চান। নিরপেক্ষভাবে দায়িত্বপালনের ক্ষেত্র আরও প্রশস্ত হবে।’
বিচারিক হাকিমদের উদ্দেশ্য করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আমাদের কাজ শুধু ৩০ তারিখ। সেদিন ভোট হবে। সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ করা, যেন কোনো সংঘাত না হয়, ভুল বোঝাবুঝি না হয়। সবাই যেন নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলেন, সেটা বুঝিয়ে দেওয়া। এটাই আমাদের উদ্দেশ্য। বিচারকেরা বিচারক। কে সাদা, কে কালো, কে রঙিন—সেটা বিচারকদের দেখার বিষয়। বিচারকার্যটাকে সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করবেন, এটাই আমাদের কামনা। বিচার করে একেবারে জেলে পাঠিয়ে দেবেন, এটাও কাম্য নয়। আমাদের উদ্দেশ্য একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করা। এর জন্য যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকুই প্রয়োগ করবেন।’
সিইসি কে এম নূরুল হুদা বলেন, ‘সেই অনাদিকাল থেকে বিচারকদের মানুষ অগাধ শ্রদ্ধা করে। কাজীর আমল থেকেই বিচারকেরা যে সিদ্ধান্ত দিতেন, সেটা মানুষ মান্য করতো, এখনও করে। নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত আশাবাদী। আপনারা যদি মাঠে থাকেন, আপনাদের পদচারণায় এই নির্বাচনের পরিবেশ সুন্দর হবে। মানুষের মধ্যে আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি হবে। মানুষ যেন ভোট দিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন, সে পরিবেশ তৈরি করতে হবে।’
বিপি/আর এল
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
আন্তরিকতার সঙ্গে দেশসেবা করতে নবীন সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি