৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজের পায়ে দাঁড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের ছায়া থেকে বেরোতে চায় দক্ষিণ কোরিয়া

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৫ এএম
নিজের পায়ে দাঁড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের ছায়া থেকে বেরোতে চায় দক্ষিণ কোরিয়া

নিজস্ব সামরিক ক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া।

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:  উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক হুমকি আর যুক্তরাষ্ট্রের হঠাৎ বদলে যাওয়া আচরণের মুখে পড়ে এবার নিজস্ব সামরিক ক্ষমতা বাড়ানোর জোর তাগিদ দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার সরকার। 

দেশের সুরক্ষায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আগের মতো ভরসা করে হাত গুটিয়ে বসে থাকার দিন শেষ হয়ে গেছে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে দেশটির ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক পার্টি।

দক্ষিণ কোরিয়ার সংসদে দাঁড়িয়ে শাসক দলের নেতা কিম মিন-সক বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন আর কোনো দয়ালু বড় ভাই নয়, বরং তারা নিজেদের স্বার্থে কঠিন দরকষাকষি করছে। তাই দেশের সার্বভৌমত্ব ও জনগণকে বাঁচাতে হলে সিউলকে এখন থেকেই নিজেদের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা নিজেদেরই তৈরি করতে হবে।

সিউলের এই উদ্বেগের মূল কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কিছু বড় সিদ্ধান্ত। ট্রাম্প সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি খুব শিগগিরই উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। কেবল তাই নয়, খরচের দোহাই দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে মার্কিন সেনাবাহিনীর যৌথ সামরিক মহড়াও কমিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, এসব সামরিক মহড়ার পেছনে প্রচুর টাকা নষ্ট হয় এবং এতে উত্তর কোরিয়াকে মিছামিছি খেপিয়ে তোলা হয়।

এমন পরিস্থিতিতে সিউলের মূল ভয় হলো— যুক্তরাষ্ট্র হয়তো উত্তর কোরিয়াকে পারমাণবিক অস্ত্র ধ্বংস করতে বাধ্য না করে, কেবল সাময়িকভাবে নতুন অস্ত্র তৈরি বন্ধ রাখার মতো কোনো চুক্তিতে রাজি হয়ে যেতে পারে। এ কারণে ডেমোক্রেটিক পার্টি মনে করছে, ওয়াশিংটন ও পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে আকস্মিক কোনো চুক্তি হয়ে গেলেও যেন দেশের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে না পড়ে, সে জন্য স্বাধীন প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। একইসঙ্গে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে অহেতুক সংঘাত এড়িয়ে শান্তিতে থাকার পথ খোঁজার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।
বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি