৫ মে ২০২৬

নীলফামারীতে পুলিশের সহায়তায় প্রসূতি মা ও নবজাতক শিশু এখন সুস্থ্য

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪০ পিএম
নীলফামারীতে পুলিশের সহায়তায় প্রসূতি মা ও নবজাতক শিশু এখন সুস্থ্য
আনিছুর রহমান মানিক, ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি: নীলফামারী থানা পুলিশের সহায়তায় চিকিৎসা সেবায় প্রসূতি মা ও নবজাতক শিশু এখন সুস্থ্য, পুলিশের এ ধরনের ভাল কাজের জন্য সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল। থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২৫ আগস্ট গভীর রাতে জেলার সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মাহমুদ উন নবী’র নেতৃত্বে এসআই আরমান, বাকিনুরসহ সঙ্গীয় ফোর্স বিশেষ অভিযান পরিচালনা কালে শহরের গাছবাড়ি এলাকায় রাস্তার পাশে বসে একজন মহিলার আহাজারির শব্দ শুনে গাড়ীদাড় করায়। কাছে গিয়ে দেখতে পায় প্রসব বেদনায় কাতরাচ্ছেন এক প্রসূতি মা মিম আক্তার (২০)। রাত তখন ৩টা, এতো রাতে নেই কোন যানবাহন, স্ত্রীর প্রসববেদনায় স্বামী মিজানুর রহমান তখন দিশেহারা। রোগীর অবস্থা বেগতীক দেখে তাৎক্ষনিক ভাবে প্রসূতি মা মিম ও তার স্বামী মিজানুরকে টহলরত পুলিশের গাড়ীতে তুলে নিয়ে হাজীগঞ্জ মাহবুবা মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে ডাক্তারের সাথে কথা বলে রক্ত লাগবে বলে জানান। তাৎক্ষণিত ভাবে পুলিশ সদস্যরা ২ ব্যাগ রক্ত যোগার করে। ভোর রাত্রী পর্যন্ত পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মাহমুদ উন-নবীসহ সকল পুলিশ প্রসূতির সিজার শেষ না হওয়া পর্যন্ত হাসপাতালে অবস্থান করেন। এরই মধ্যে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে জন্ম নেয় ফুটফুটে চাঁদের মতো সুন্দর একটি পুত্র সন্তান। বর্তমানে মা ও নবজাতক দুজনই সুস্থ আছেন। মধ্যরাত থেকে শুরু করে ভোর রাত পর্যন্ত পুলিশের বিশেষ এই সেবায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন নবজাতকের বাবা মিজানুর রহমান। তিনি জানান, ওই দিন বিভিন্ন হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে রাতে সিজারের ব্যবস্থা করতে পারিনি বাড়ি ফিরে যাচ্ছি। কিন্তু ততক্ষণে অনেক রাত এক পর্যায়ে গাছবাড়ি এলাকায় অবস্থান নেই। কিন্তু কোনো যানবাহন ছিল না। হঠাৎ করে আমার আমার স্ত্রী প্রসব বেদনা ওঠে। আমি তো কি করবো ভেবে উঠতে পারছিলাম না। আমার স্ত্রীর চিৎকার শুনে গাড়ী দায় করেন পুলিশ ভাইয়েরা। তাদের সহযোগিতায় আজ আমি ফুটফুটে পুত্র সন্তানের জনক হলাম। আমি চির কৃতজ্ঞ পুলিশ ভাইদের প্রতি। পরদিন বিকালে হাসপাতালে গিয়ে মা ও নবজাতককে দেখে আসে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মাহমুদ উন নবীসহ থানা পুলিশের একটি টিম। পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মাহমুদ উন নবী জানান, রাতে ডিউটি করা কালীন সময়ে হটাৎ নারী কন্ঠের চিৎকার শুনতে পাই। তাৎক্ষণিক ভাবে আমরা রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে সব ব্যবস্থা করি। এমন ভাল কাজ করতে পেরে আমরা আনন্দ বোধ করছি। বর্তমানে মা ও শিশু সুস্থ্য আছে আমরা সার্বক্ষণিক তাদের খোজ খবর নিচ্ছি। এই ভাল কাজের পেছনের কারিগর সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মোখলেছুর রহমান, বিপিএম. পিপিএম মহোদয়। মিজানুর ও তার স্ত্রী মিম আখতারের বাড়ী উপজেলার চওড়া বড়গাছা ইউনিয়নের চাকধাপাড়া গ্রামে। বিপি/কেজে
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি