মোদীর জন্ডিস হয়েছে আখের রস খাওয়া উচিত

বিদেশ ডেস্ক : জন্ডিস হয়েছে। মোদির কালো কলাই ও আখের রস খাওয়া উচিত। এখন যদি কালো কলাই আর আখের রস না খান, তাহলে ২৩ মে-র পর আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।’’ বীরভূমের রামপুরহাটে নির্বাচনী জনসভায় স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। তাঁর কটাক্ষ, ‘‘ওই পাগল লোকটা কোনও গুরুত্বই দিচ্ছি না। ওঁকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মানছি না।’’লোকসভা ভোট শুরু হয়ে গিয়েছে। চতুর্থ দফায় ২৯ এপ্রিল ভোট বীরভূমের দু’টি লোকসভা কেন্দ্রে।
সোমবার রামপুরহাটে নির্বাচনী জনসভা করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। বুধবার আবার ইলামবাজারে সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। এদিকে বীরভূম ও বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রে দলের প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচারে নেমে পড়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। সোমবার আউশগ্রামে বোলপুরে তৃণমূল প্রার্থী অসিত মালের সমর্থনে সভা করলেন তিনি। জনসভায় মোদি-অমিত শাহকে তুলোধনা করেন অনুব্রত। বলেন, ‘‘অমিত শাহের জনসভায় আড়াই হাজারের বেশি লোক হয়নি। মানুষ ওদের পাশে নেই। বিজেপির লজ্জা হওয়া উচিত।’’ আর প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ, ‘‘চারটে লোকসভা কেন্দ্র অর্থাৎ ২৮টি বিধানসভা নিয়ে জনসভা করছেন মোদি। মাত্র ২৫ হাজার চেয়ার এসেছে। বাসমালিকদের বলছে, একটি করে বাস দাও আর পঞ্চাশটা লোক দাও। ২০ হাজার টাকা দেব।’’
কখনও নকুলদানা তো আবার কখনও শলাকা দেখিয়ে ভোট করানোর নিদান। ভোটের মরশুমে বারবার বিতর্কে জড়িয়েছেন বীরভূমের দাপুটে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। দিন কয়েক আগে দলের কর্মীদের ‘‘পিটিয়ে চোরদের হাত-পা ভেঙে দেওয়া’’রও পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনি। ভোটে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে বিরোধীরা। সে যাই হোক না কেন, বীরভূমে দু’টি লোকসভা আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের জয় নিয়ে অবশ্য কোনও সন্দেহ নেই অনুব্রত মণ্ডলের।
বিপি/আর এল
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি