মেহেরপুরের গাংনীতে রশিদ ছাড়া ইজারাদাদের অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ

মেহেরপুর প্রতিনিধি: মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বাজারের তহবাজারে রশীদ ছাড়ায় খাজনা আদায় করছে ইজারাদার। তাছাড়া অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে।এর আগে অতিরিক্ত খাজনা আাদায়ের অভিযোগে গাংনী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক ব্যবসায়ীদের কাছে যান এবং অতিরিক্তি খাজনা না দেওয়ার জন্যও ব্যবসায়ীদেরকে আহবান জানান। অভিযোগ আছে একটি পান ব্যবসায়ীকে চট প্রতি তাকে ৬০ টাকা করে খাজনা দিতে হয়। সবজি ব্যবসায়ীদের এক চটে বসলে ৬০ থেকে ৮০ টাকা আর একাধিক চট বসলে আরো বেশি খাজনা দিতে হয়। মাছ ব্যবসায়ীদের একটি কড়াই হিসেব করে ৮০ টাকারও বেশি খাজনা দিতে হয়। অথচ এসব খাজনার কোন রশীদ ইজারাদাররা ব্যবসায়ীদের হাতে দেয় না।
অতিরিক্ত খাজনা না দেওয়ার জন্য বাজার মনিটরিং ও ব্যবসায়ীদের পরামর্শ দেন উপজেলা চেয়ারম্যান এম এ খালেক। তার এই উদ্যোগকে ব্যবসায়ী সহ সাধারণ ক্রেতা সাধারণ স্বাগত জানালেও ইজারাদাররা মানেননি।তার এ সিদ্ধান্তে ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতারা খুশি হলেও ইজারারদাররা ভ্রুক্ষেপই করেননি। জানতে চাইলে ইজারাদার হাফিজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, হাটের মালিক পৌর চেয়ারম্যান। চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম যে ভাবে বলবে আমরা সেভাবে ইজারা আদায় করব। এখানে এম এ খালেক সাহেব কি বলল তা আমাদের দেখার বিষয় না। এদিকে সরেজমিনে দেখা যায় ইজারাদাররা কোন প্রকার রশীদ ছাড়াই খাজনা আদায় করছে। রশীদ ছাড়া খাজনা কেন দেওয়া হচ্ছে জানতে চাইলে ব্যবসায়ীরা বলেন আমরা জিজ্ঞাসা করলে ব্যবসা করতে দেবেনা। ব্যবসায়ীরা আরো বলেন খাজনা বেশি দিলে পণ্যের দামও বেশি নিতে হয় না হলে আমাদের লাভ থাকে না।
উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেকের জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, রশীদ ছাড়া খাজনা আদায়ের অভিযোগটি আমার জানা নেই, অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের অভিযোগ শুনে সেখানে গিয়েছি এবং ব্যবসায়ীদের অতিরিক্তি খাজনা না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছি। এর পর আমার কাছে কোন অভিযোগ আসেনি। গাংনী পৌরসভার মেয়র আশরাফুল ইসলাম ও ইজারাদার হাফিজুল ইসলামকে একাধিক বার মোবাইল ফোনে জানার চেষ্টা করা হয় কিন্তু তারা ফোন রিসিভ করেননি।এদিকে অতিরিক্ত খাজনা আদায়ের কারণে তহবাজারে সকল প্রকার পণ্যের দাম বাজার ছাড়াও অনেক বেশি দামে ক্রয় করতে হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের।
জেলা প্রশাসক আতাউল গনি জানান, আসলে এটা উপজেলা চেয়ারম্যান যেহেতু বিষয়টি দেখছে উনি কি করতে পারেন দেখুন পরে আমরা বিষয়টি দেখব।
বিপি/কেজে
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
আন্তরিকতার সঙ্গে দেশসেবা করতে নবীন সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি