৬ মে ২০২৬

লালমনিরহাটে এক রাতেই ১৭টি বাড়িতে চুরি

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৮ পিএম
লালমনিরহাটে এক রাতেই ১৭টি বাড়িতে চুরি

মামুনুর রশিদ (মিঠু), লালমনিরহাট থেকে : সম্প্রতি লালমনিরহাটে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হওয়ায় চোরের উপদ্রুপ দিন দিন বেড়েই চলেছে। এক রাতেই পুরো একটি গ্রামের ১৭টি বাড়িতে সিধ কেটে দুধর্ষ চুরিতে আতংকিত গ্রামবাসী।

মঙ্গলবার (৫ফেব্রুয়ারি) দিনগত মধ্যরাতে উপজেলার সারপুকুর ইউনিয়নের মসুর দৌলজোর গ্রামে এ দুধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্থরা হলেন, মসুর দৌলজোর গ্রামের নরেন্দ্র নাথ, এন্তাজ আলী, নরেন চন্দ্র, লক্ষ্ধসঢ়;ণী চন্দ্র, জিতীন্দ্র নাথ, নারায়ন চন্দ্র, আব্দুর রশিদ, আব্দুল মান্নান, কমলেশ্বর, স্বপন মিয়া, নরেশ চন্দ্র, হরেন্দ্র নাথ, পরেশ চন্দ্র, নরেন চন্দ্রসহ ১৭ জনের বাড়িতে চুরি হয়।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মসুর দৌলজোর গ্রামের লোকজন যে যার মত রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। সংঘবদ্ধ চোর চক্র ওই গ্রামের ১৭টি বাড়ির সিধ কেটে ঘরে প্রবেশ করে নগদ টাকা পয়সা, দামি পোশাক ও কাগজপত্র নিয়ে যায়।

ওই গ্রামের ব্যবসায়ী নরেন্দ্র নাথ বুধবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখেন তার ঘরে সিধ কেটে ১০ হাজার টাকা নিয়েছে চোর চক্রটি। তার আত্মচিৎকারে গ্রামের লোকজন একে একে জেগে উঠে জানতে পারেন সবার ঘরে সিধ কেটে নগদ টাকা পয়সা, দামি পোশাক ও মুল্যবান কাগজপত্র নিয়েছে চোর চক্র। সব থেকে বেশি ক্ষতি হয়েছে ওই গ্রামের প্রবাসি পরিবার এন্তাজ আলীর। তার বাড়ি থেকে প্রায় ৫৬ হাজার নগদ টাকা নিয়েছে ওই চোর চক্রটি। সব মিলে চোর চক্রটি ওই গ্রাম থেকে প্রায় তিন লক্ষাধিক নগদ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে গ্রামবাসীর দাবি।

এক রাতে একই কৌশলে পুরো গ্রামে চুরির ঘটনায় বর্তমানে বেশ আতংক বিরাজ করছে গস্খামবাসীদের মাঝে। গ্রস্থদের অনেকেই ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষি এবং ব্যবসায়ী। তাদের ব্যবসার মুলধন হারিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে এখন চিন্তিত অনেকেই। ওই গ্রামের মিলন চন্দ্র জানান, কোন বাড়ির বেড়া ভাঙ্গেনি। প্রতিটি বাড়ির সিধ কেটে ভিতরে প্রবেশ করে নগদ টাকা পয়সা, দামি পোশাক ও কাগজপত্র নিয়েছে। একই সঙ্গে ১৭টি বাড়ির চুরিতে গ্রামবাসীর মাঝে আতংক বিরাজ করছে। গত বছরেও এ গ্রামে এক রাতে ১৩টি বাড়ি চুরি হয়েছিল। যার এখন পর্যন্ত কোন খোঁজ মেলেনি। ওই গ্রামের ইউপি সদস্য ছামিদুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে এ প্রতিবেদক কে জানান, এমন দুধর্ষ চুরি তিনি কখনই দেখেননি। গ্রামের ১৭টি বাড়িতে একই সঙ্গে সিধ কেটেছে। সবার কাছ থেকে টাকা না পেলেও অনেকের নগদ টাকা নিয়েছে।

১৭টি বাড়িতে সিধ কাটলো কেউ বুঝতে না পারার অর্থ গ্রামবাসীকে কোন কৌশলে চোরচক্র অচেতন করতে পারে বলেও মন্তব্য করে আদিতমারী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ রানা জানান, চুরির বিষয়টি তার জানা নেই। তবে দ্রুত খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

বিপি/ আর এল

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি