৪ নভেম্বর ২০২৬

কোন কোন সমস্যায় পেয়ারা খাওয়া এড়িয়ে চলবেন?

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫৫ পিএম
কোন কোন সমস্যায় পেয়ারা খাওয়া এড়িয়ে চলবেন?

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:  পেয়ারা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এটি অনেক রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কমলালেবুর চেয়ে পেয়ারায় বেশি পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে।

এটি বেশ সহজলভ্য, দামেও সাশ্রয়ী। এ ফলের অনেক উপকারিতা রয়েছে। আবার অপকারিতাও রয়েছে। কিছু শারীরিক সমস্যা থাকলে পেয়ারা খাওয়া ঠিক নয়।

পেয়ারা যাদের জন্য ক্ষতিকর

অতিরিক্ত পেয়ারা খেলে পরিপাকতন্ত্রের রোগ ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (আইবিএস) হতে পারে। এর লক্ষণগুলো হলো পেট ফাঁপা, গ্যাস বা ডায়রিয়া। কিছু মানুষের পেয়ারা থেকে অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া হতে পারে।

এর লক্ষণগুলোর মধ্যে চুলকানি, ফোলাভাব বা শ্বাসকষ্ট অন্যত্ম। তাই যাদের ফলের অ্যালার্জি আছে তাদের পেয়ারা না খাওয়াই ভালো। তবে খেতে হলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

পেয়ারায় প্রাকৃতিকভাবেই প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে, যা হৃৎপিণ্ড এবং মাংসপেশীর কার্যকারিতা উন্নত করে। কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের অতিরিক্ত পটাশিয়াম হজম করতে অসুবিধা হতে পারে। তাই, যাদের কিডনির সমস্যা আছে, তাদের অতিরিক্ত পেয়ারা খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত।

গর্ভবতী নারী বা স্তন্যদানকারী নারীদের সতর্কতার সঙ্গে পেয়ারা খাওয়া উচিত। গর্ভবতী নারীদের চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে পেয়ারা পাতার চা বা পেয়ারা ফল খাওয়া উচিত। 

যদি কেউ অনেক দিন ধরে সর্দি বা কাশিতে ভোগেন, তাহলে পেয়ারা কম খাওয়াই ভালো। কারণ পেয়ারার শীতল প্রভাব রয়েছে যা থেকে সর্দি হতে পারে। এছাড়া, পেয়ারা রক্তে শর্করার মাত্রা কমায়, তাই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের অতিরিক্ত পেয়ারা খাওয়া উচিত নয়।

বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি