৪ মে ২০২৬

কোলেস্টেরল রোগীদের জন্য ডিম: খাওয়া যাবে কি ?

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:০৪ এএম
কোলেস্টেরল রোগীদের জন্য ডিম: খাওয়া যাবে কি ?

সেদ্ধ ডিম।

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:   ডিম খেতে পছন্দ করেন না—এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। তবে কোলেস্টেরলের ভয়ে অনেকেই ডিমের কুসুম বাদ দিয়ে দেন। এক সময় কোলেস্টেরলের আশঙ্কায় রোগীর খাবার তালিকায় ডিমের কুসুম রাখা হতো না। কিন্তু আধুনিক বেশ কিছু গবেষণা, বিশেষ করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিভিন্ন রিপোর্ট এবং আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের গবেষণা এ বিষয়ে ভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে।

ডিম মূলত দুইটি অংশ নিয়ে গঠিত—সাদা অংশ ও কুসুম। ডিমের সাদা অংশে থাকে উচ্চমানের প্রোটিন এবং কুসুমে থাকে কোলেস্টেরল, ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। এ উপাদানগুলো মানবদেহের বিভিন্ন জৈবিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কোলেস্টেরলেরও কিছু প্রয়োজনীয় কাজ রয়েছে। এটি পিত্তরসে থাকা অ্যাসিড তৈরিতে সহায়তা করে, ভিটামিন ডি উৎপাদনে ভূমিকা রাখে এবং শরীরের বিভিন্ন যৌন হরমোন নিঃসরণে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমাতেও সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। তাই কোলেস্টেরল মানেই শরীরের জন্য ক্ষতিকর—এ ধারণা বদলানো জরুরি। শরীরে ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বজায় রাখতে ডায়েটে একটি ডিম রাখা যেতে পারে।

 দিনে কয়টি ডিম খাওয়া নিরাপদ?

প্রতিদিন একটি ডিম কুসুমসহ খাওয়া নিরাপদ। যাদের কোলেস্টেরলের মাত্রা স্বাভাবিক, তারা প্রতিদিন সর্বোচ্চ দুটি ডিম কুসুমসহ খেতে পারেন। তবে এর বেশি হলে কেবল ডিমের সাদা অংশ খাওয়াই উত্তম। কারণ অতিরিক্ত কোলেস্টেরলও শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

ডিম খাওয়ার ক্ষেত্রে রান্নার পদ্ধতিও গুরুত্বপূর্ণ। তেলে ভাজা বা মাখনে বেক করা ডিম এড়িয়ে চলাই ভালো। সেদ্ধ ডিম খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি তেল-মসলা, ফাস্ট ফুড ও ভাজাপোড়া খাবার পরিহার করলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। তবে যদি কোলেস্টেরলের মাত্রা খুব বেশি থাকে, সে ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

 ডিমের কুসুমের পুষ্টিগুণ:

ডিমের কুসুম প্রথম শ্রেণির প্রোটিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। শুধুমাত্র ডিমের সাদা অংশ খেলে শরীর বিভিন্ন প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড থেকে বঞ্চিত হতে পারে। একটি সম্পূর্ণ ডিমে প্রায় ৬ গ্রাম প্রোটিন থাকে, কিন্তু কুসুম বাদ দিলে প্রোটিনের পরিমাণ নেমে আসে প্রায় ৩ গ্রামে।

প্রোটিন ছাড়াও ডিমের কুসুমে রয়েছে কোলিন, সেলেনিয়াম, জিঙ্ক এবং ভিটামিন এ, বি, ই, ডি ও কে। অর্থাৎ ডিমের পুষ্টিগুণের প্রায় সম্পূর্ণ অংশই থাকে কুসুমে। ডায়েটারি কোলিন ও ভিটামিন ডি-এর অন্যতম উৎকৃষ্ট উৎস হলো ডিমের কুসুম। সূত্র: যুগান্তর
বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি