জর্জিয়ায় ফুলটন কাউন্টির নির্বাচন কার্যালয়ে এফবিআইয়ের তল্লাশি
ফুলটন কাউন্টির নির্বাচন কার্যালয়
নিজস্ব প্রতিবেদক: যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের আটলান্টার দক্ষিণে অবস্থিত ফুলটন কাউন্টির নির্বাচন কার্যালয়ে বুধবার ২০২০ সালের নির্বাচনী নথিপত্র জব্দের লক্ষ্যে তল্লাশি চালিয়েছে এফবিআই।
এফবিআই এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইউনিয়ন সিটির প্রধান কার্যালয়ে “আদালতের অনুমোদিত আইনপ্রয়োগকারী পদক্ষেপ” নেওয়া হয়েছে। নিউজ নেশন এই বিবৃতি পেয়েছে, যা দ্য হিল-এর সহযোগী টেলিভিশন চ্যানেল।
বিবৃতিতে বলা হয়, “এই বিষয়টি নিয়ে আমাদের তদন্ত চলমান রয়েছে, তাই এ মুহূর্তে আমরা বিস্তারিত কিছু জানাতে পারছি না।”
ফুলটন কাউন্টির মুখপাত্র জেসিকা করবিট-ডোমিঙ্গেজ অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস-কে জানান, তল্লাশি পরোয়ানায় ২০২০ সালের নির্বাচনী নথি চাওয়া হয়েছে। তবে তল্লাশি চলমান থাকায় তিনি এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
দ্য হিল ও নিউজ নেশন এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য ফুলটন কাউন্টির নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।
২০২০ সালের নির্বাচনের পর ফুলটন কাউন্টি স্থানীয় প্রসিকিউটরদের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছিল। ২০২৩ সালে ফুলটন কাউন্টির ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি ফ্যানি উইলিস (ডি) ট্রাম্পের বিরুদ্ধে র্যাকেটিয়ারিংয়ের অভিযোগে মামলা করেন। অভিযোগে বলা হয়, জর্জিয়ায় সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ২০২০ সালের নির্বাচনী বিজয় বাতিল করতে এবং ট্রাম্পকে ক্ষমতায় রাখার জন্য তিনি ও আরও ১৮ জন ষড়যন্ত্র করেছিলেন।
তবে উইলিসের বিরুদ্ধে মামলার প্রধান কৌঁসুলির সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কের অভিযোগ ওঠায় তাঁকে মামলা পরিচালনা থেকে অপসারণ করা হয়। এর পর মামলাটি ভেঙে পড়ে এবং ২০২৫ সালে তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।
গত ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ (ডিওজে) ২০২০ সালের নির্বাচনসংক্রান্ত তথ্য নিয়ে ফুলটন কাউন্টির বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করে। ফেডারেল আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য পরীক্ষা করতে ডিওজে ফুলটন কাউন্টির কাছে ২০২০ সালের সাধারণ নির্বাচনের ব্যবহৃত ও বাতিল ব্যালট, ব্যালটের স্টাব, স্বাক্ষরযুক্ত খাম এবং সংশ্লিষ্ট ডিজিটাল ফাইল চায়।
নির্বাচন কার্যালয়ে এই তল্লাশি এমন এক সময় চালানো হলো, যখন ডিওজে ট্রাম্পের কথিত রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের—নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমস ও সাবেক এফবিআই পরিচালক জেমস কোমিসহ—তদন্তের চেষ্টা করেছিল। তবে নভেম্বর মাসে একজন ফেডারেল বিচারক রায় দেন, ট্রাম্প মনোনীত কৌঁসুলিকে বেআইনিভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, ফলে ওই মামলাগুলো খারিজ হয়ে যায়।
(*এই প্রতিবেদনটি বাংলা প্রেসের তৈরি। অনুমতি ছাড়া আমাদের বিষয়বস্তু, ছবি বা সম্প্রচার অন্য কোনো সংবাদমাধ্যমে পুনঃপ্রকাশ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ)।
বিপি/এসএম
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি