
ছাবেদ সাথী: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী জো বাইডেনের প্রথম সরাসরি বিতর্কে বাইডেনের মুখে 'ইনশাআল্লাহ' আরবি শব্দ নিয়ে নানা বিভ্রান্তিকর খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। কখন কোন প্রসঙ্গে তিনি 'ইনশাআল্লাহ' শব্দ ব্যবহার করেছেন তা নিয়ে চলছে নানা বিশ্লেষণ। তবে তিনি যে জিহবা পিছলে বা মুখ ফসকে 'ইনশাআল্লাহ' বলার চেষ্টা করেছেন ভিডিও দেখে তা স্পষ্টই বোঝা যায়। বিতর্ক চলাকালীন বাইডেন 'ইনশাআল্লাহ' বলতে চেয়েছিলেন, কিন্তু শব্দ প্রয়োগে তাঁর কথা হোঁচট খেয়েছে।
আরবি শব্দ 'ইনশাআল্লাহ'র ইংরেজি অর্থ 'গড উইলিং' আর বাংলা অর্থ 'সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছা'। বিতর্কে জো বাইডেন যখন 'ইনশাআল্লাহ' বলার চেষ্টা করেছেন তখন ওই শব্দ প্রয়োগের কোন উপোযুক্ত সময় ছিল না।
গত মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) প্রথম সরাসরি অনুষ্ঠিত বিতর্কের সঞ্চালক ফক্স নিউজের সাংবাদিক ক্রিস ওয়ালেস ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘মি. প্রেসিডেন্ট, আপনি ২০১৬ ও ২০১৭ সালে কত ডলার ট্যাক্স পরিশোধ করেছিলেন?’ জবাবে ট্রাম্প বলেছেন, ‘মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার ট্যাক্স দিয়েছি এবং সবাই তা দেখতে পাবেন।’
ক্রিস ওয়ালেস আবার প্রশ্ন করেন, ‘আমেরিকান জনগণ কখন তা দেখবে?’ এই মুহূর্তে জো বাইডেন ট্রাম্পকে চট করে প্রশ্ন করে বসেন, ‘হোয়েন? ইনশাআল্লাহ।’
‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দটি ঠিক কী অর্থে বাইডেন ব্যবহার করেছেন, তা নিয়ে সরস আলোচনা চলছে মার্কিন গণমাধ্যমে। যখন তিনি ইনশাআল্লাহ বলার চেষ্টা করেছিলেন তখন ওই শব্দ প্রয়োগের উপোযুক্ত কোন সময় ছিল না। বাইডেনের উচ্চারণের সমালোচনা করে অনেকেই এটিকে 'বিভ্রান্তি' হিসাবে দেখছেন। কারণ প্রশ্ন করার ক্ষেত্রে কখনই ইনশাআল্লাহ শব্দ ব্যবহৃত হয় না।
বিতর্কে বাইডেনের মুখে ইনশাআল্লাহ শব্দ প্রয়োগ নিয়ে তাঁর প্রচারনা শিবির এনপিআর বলেছেন যে বাইডেন বিতর্ক চলাকালীন 'ইনশাআল্লাহ' বলতে চেয়েছিলেন, কিন্তু শব্দ প্রয়োগে তাঁর কথা হোঁচট খেয়েছে।
বিপি।এসএম
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]