
সুলতানা মাসুমা, লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ বেশি বেশি মাছ চাষ করি বেকারত্ব দূর করি” স্লোগানে সামনে রেখে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলা আয়োজিত জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২১ পালন উপলক্ষে গণমাধ্যম কর্মী স্থানীয় সাংবাদিক-দের সাথে উপজেলা সিনিয়র কর্মকর্তা কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার সকালে রায়পুর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বেলায়ত হোসেনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারী ভূমি কমিশনার আক্তার জাহান সাথী রায়পুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন (ঢালী) ,দৈনিক কালের কন্ঠের জেলা প্রতিনিধি, কাজল কায়েস ,ইত্তেফাক রায়পুর প্রতিনিধি, এম আর সুমন, যায়যায়দিন রায়পুরে প্রতিনিধি, মুকুল পাটোয়ারী, জনকণ্ঠ রায়পুর প্রতিনিধি, প্রদীপ কুমার,
লক্ষ্মীপুর আরজে এফ জেলা শাখার সভাপতি অ আ আবির আকাশ জনবাণী লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি।
গণকণ্ঠ ইমরান হোসেন লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি। তৃতীয় মাত্রা বেলায়েত হোসেন লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি স্বাধীন মত জিয়াদ হোসেন লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি।
স্বদেশ বিচিত্রা জসীম হোসেন লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি, সুলতানা মাসুমা, বাংলাপ্রেস এর লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি। বর্তমান দিন আরিফ হোসেন লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি।
গণমানুষের আওয়াজ নাজমুন নাহার লাকি লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি। বিশ্ব মানচিত্র সোহেল হোসেন বিশেষ প্রতিনিধি। সহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এই সময় জাতীয় মৎস সপ্তাহ ২১ (২৮ আগষ্ট – ০৩ সেপ্টেম্বর) সফলভাবে পালনের লক্ষ্যে সপ্তাহব্যাপি জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গৃহীত হয়। কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে, মাইকিং , ব্যানার , ফেস্টুনের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা।
মাছে পোনা অবমুক্তসহ বর্তমান সরকারের মৎস সেক্টরের অগ্রগতি ও সাফল্য নিয়ে নির্মিত প্রমাণ্য চিত্র প্রদর্শণ,প্রান্তিক পর্যায়ে মৎসজীবী ও চাষীদের স্বাস্থ্য বিধি মেনে মতবিনিময় সভা, মৎস্য চাষীদের মাছ চাষ বিষয়ক পরামর্শ সেবা পুকুরের মাটি পানি পরীক্ষা, বুধবার মাছ চাষীদের পরামর্শ, সেবা,সরকারের অগ্রগতি ও সাফল্য নির্মিত প্রমাণ্য চিত্র প্রদর্শন,বৃহস্পতিবার সুফলভোগিদের প্রশিক্ষণ উপকলণ বিতরণ, শুক্রবার জেলা ও উপজেলা কর্মকতাগনের মতবিনিময় এবং মৎস্য সপ্তাহের সমাপ্তি ঘোষণা।
বিপি/আর এল
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]