৫ মে ২০২৬

'ইভিএম কেনার প্রকল্প পাস হচ্ছে'

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৭ পিএম
'ইভিএম কেনার প্রকল্প পাস হচ্ছে'

বাংলাপ্রেস অনলাইন: জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সমালোচনা ও রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কেনার প্রকল্প পাস হচ্ছে। আগামী মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এ প্রকল্প পাস হবে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (একনেক) সভা শেষে এক প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনামন্ত্রী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, একসঙ্গে সব ইভিএম কেনা নয়; পর্যায়ক্রমে ইভিএম কেনার জন্য টাকা বরাদ্দ দেওয়া হবে। গতকাল শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেকের সভা অনুষ্ঠিত হয়।

৩ হাজার ৮২৯ কোটি টাকার এই প্রকল্প প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে জমা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রকল্পের শিরোনাম ‘নির্বাচনী ব্যবস্থায় অধিকতর স্বচ্ছতা আনার লক্ষ্যে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কেনা, সংরক্ষণ ও ব্যবস্থার প্রকল্প’। সম্পূর্ণ সরকারি টাকায় এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পের মেয়াদ ২০১৮ সালের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের জুন মাস পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে দেড় লাখ ইভিএম কেনা হবে। ইভিএম কেনায় খরচ হবে ৩ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা। এর আগে ইভিএম তৈরির জন্য বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ জামিলুর রেজা চৌধুরীর নেতৃত্ব কারিগরি ও পরামর্শক কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (বিএমটিএফ) নতুন প্রযুক্তির নমুনা ইভিএম প্রস্তুত করেছে।

এ প্রকল্পটি নিয়ে মঙ্গলবার পরিকল্পনা কমিশনে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) বৈঠক হয়েছে। সেখানে পরিকল্পনা কমিশন ও নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

একনেক সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী সাংবাদিকদের আরও বলেন, আগামী মঙ্গলবার একনেক সভায় ইভিএম কেনার প্রকল্প পাস হবে। আগামী জাতীয় নির্বাচনে পরীক্ষামূলকভাবে ইভিএম ব্যবহার করা হতে পারে। নির্বাচন কমিশনই নির্ধারণ করবে কতটি ইভিএম ব্যবহার করবে।

পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন, আগামী একনেক সভায় ইভিএম প্রকল্পটি পাস করা হলেও জাতীয় নির্বাচনের আগে এত ইভিএম আনার সময়ও থাকবে না। তাঁর মতে, এত অল্প সময়ে ইভিএম প্রকল্পে একসঙ্গে সব ইভিএম এনে প্রশিক্ষণ দিয়ে ব্যবহার করতে নির্বাচন কমিশন কতটা সফল হবে, তা জানি না। তাই নতুন প্রকল্পে একসঙ্গে সব টাকা দেওয়া হবে না। পর্যায়ক্রমে টাকা দেওয়া হবে।

বড় পরিসরে ইভিএম ব্যবহার করার অভিজ্ঞতা ইসির নেই। ইসিও এত দিন বলে এসেছে, সব দল না চাইলে ইভিএম ব্যবহার করা হবে না। আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে একাদশ সংসদ নির্বাচনের ক্ষণগণনা শুরু হচ্ছে। এই সময়ে ইসি কেন বা কার স্বার্থে ইভিএম নিয়ে তোড়জোড় শুরু করেছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন ও সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

বাংলাপ্রেস/এফএস

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি