৮ মে ২০২৬

ইউক্রেন সীমান্তে রুশ বিমান বিধ্বস্ত : নিহত ৭৪

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪১ পিএম
ইউক্রেন সীমান্তে রুশ বিমান বিধ্বস্ত : নিহত ৭৪
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: ইউক্রেনের ৬৫ যুদ্ধবন্দিসহ ৭৪ আরোহীকে নিয়ে রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর একটি ইউশিন আইএল-৭৬ বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। আজ বুধবার (২৪ জানুয়ারি) ইউক্রেন সীমান্তের কাছের রাশিয়ার বেলগোরোদ অঞ্চলে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা আরআইএর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বুধবার সকালে বেলগোরোদে বিধ্বস্ত হওয়া সামরিক বিমানটিতে ৬৫ ইউক্রেনীয় যুদ্ধবন্দি ছিলেন। যুদ্ধবন্দি ছাড়াও বিমানটিতে আরও ছয় ক্রু ও তিন বেসামরিক কর্মকর্তা ছিলেন। বিমান বিধ্বস্তের এই ঘটনায় ৭৪ আরোহীর সবাই নিহত হয়েছেন। রুশ বার্তা সংস্থা আরআইএ নভোস্তি বলছে, বিমানটিতে রুশ বাহিনীর হাতে বন্দি ইউক্রেনীয় সেনাদের বন্দি বিনিময়ের জন্য বেলগোরোদে নিয়ে আসা হচ্ছিল। বেলগোরোদের আঞ্চলিক গভর্নর ভায়াচেসলাভ গ্লাদকোভ জানিয়েছেন, তিনি বিমান দুর্ঘটনা সম্পর্কে জানতে পেরেছেন এবং ঘটনাস্থলে গেছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, সেখানে উদ্ধারকারী দল পৌঁছেছে। বিমান বিধ্বস্তের কারণ অনুসন্ধান চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, স্থানীয় সময় সকাল ১১টার দিকে ইয়াবলোনোভো গ্রামে একটি বিমান খাড়াভাবে আছড়ে পড়ছে। বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগে একটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। রুশ প্রেসিডেন্টের দপ্তর ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকোভ জানিয়েছেন, তারা বিমান বিধ্বস্তের ব্যাপারে জানতে পেরেছেন। তবে তিনিও বিস্তারিত কোনো কিছু জানাননি। আইএল-৭৬ বিমানটি তৈরি করা হয়েছে সেনা, কার্গো, সামরিক সরঞ্জাম এবং অস্ত্র পরিবহণের জন্য। বিমানটিতে সাধারণত পাঁচজন ক্রু থাকেন এবং এটি সর্বোচ্চ ৯০ জন যাত্রী বহন করতে পারে। ইউক্রেনের প্রভাবশালী ইংরেজি সংবাদমাধ্যম ইউক্রেনীয় প্রাভাদা অবশ্য জানিয়েছে, বিমানটি ইউক্রেনীয় সেনারা ভূপাতিত করেছে এবং এতে কোনো যুদ্ধবন্দি ছিলেন না। বিমানটি বিধ্বস্তের সময় এস-৩০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেপণাস্ত্র বহন করছিল বলে দাবি করেছে পত্রিকাটি। বিপি/কেজে
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি