৮ মে ২০২৬

ইইউ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিবে

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪১ পিএম
ইইউ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিবে
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ায় সম্মত ইউরোপের দেশগুলোর জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। আগামী মে মাসের শেষ দিকে জোটের অধিকাংশ দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেবে বলে আশা করা যাচ্ছে। সোমবার (২৯ এপ্রিল) ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিভাগের প্রধান জোসেপ বরেল গণমাধ্যমকর্মীদের এ তথ্য জানিয়েছেন। সৌদি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন আন্তর্জাতিক আরবি সংবাদ টেলিভিশন চ্যানেল আল আরাবিয়ার এক প্রতিবেদন বলা হয়েছে, বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনৈতিক জোট ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সম্মেলন চলছে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে। বিশেষ এই সম্মেলনে ইইউ’র প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দিয়েছেন জোসেপ বরেল। সম্মেলনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জোসেপ বরেল বলেন, ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য ইইউর সদস্য স্পেন, আয়ারল্যান্ড, মাল্টা ও স্রোভেনিয়া সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে। এর আগে গত মার্চে দেশ তিনটি জানিয়েছিল, ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেয়ার জন্য যৌথভাবে কাজ করবে তারা। এদিকে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ইইউর চারটি দেশকে বলেন, ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলে তা হবে ‘সন্ত্রাসের জন্য পুরস্কার ঘোষণা’র শামিল। এর আগে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ জানিয়েছিলেন যে তিনি আশা করেন মাদ্রিদ জুলাইয়ের মধ্যে ফিলিস্তিনিদের স্বীকৃতি দেবে। সেই সঙ্গে বিশ্বাস করেন, ইইউ’র মধ্যে শিগগিরই সমালোচনা হবে, যা একই অবস্থানে পৌঁছাতে কয়েকটি সদস্যকে সহায়তা করবে। গত বছর ৭ অক্টোবর জঙ্গি সংগঠন হামাস ইসরায়েলে সন্ত্রাসী হামলা চালায়। তাদের হামলায় এক হাজার ২০০ জন মারা যান এবং আরও ২৪০ জনকে বন্দি করা হয়। জবাবে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফ গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে। হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তখন থেকে ৩৪ হাজারেরও বেশি মানুষ মারা যান। অভিযানের ফলে খাবার, পানি ও ওষুধের অভাবে গাজায় মানবিক বিপর্যয় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলো।   বিপি/টিআই  
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি