৫ মে ২০২৬

গুলিবিদ্ধ জুলাই যোদ্ধা শফিক মারা গেছেন

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:২০ পিএম
গুলিবিদ্ধ জুলাই যোদ্ধা শফিক মারা গেছেন

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রায় দেড় বছর মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে মারা গেলেন জেলার হালুয়াঘাটের জুলাই যোদ্ধা শফিকুল ইসলাম (শফিক)।

মঙ্গলবার সকাল ৭টায় গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন বলে জানা গেছে।

হালুয়াঘাটের দর্শাপাড়া এলাকার আব্দুস সামাদের ছেলে শফিক পরিবারসহ গাজীপুর সিটি করপোরেশনের টঙ্গী পূর্ব এলাকায় বসবাস করছিলেন।

জানা গেছে, শহীদ শফিকুল ইসলাম সরকারিভাবে গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধা ছিলেন। তার গেজেট নম্বর ৭২২। গত বছরের ৫ আগস্ট দুপুরে রাজধানীর উত্তরা আজমপুর এলাকায় গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়ার সময় ডান পায়ের উরুতে গুলিবিদ্ধ হন তিনি। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (পিজি) থেকে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (নিটোর-পঙ্গু হাসপাতাল) পাঠানো হয়।

গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকে তিনি দীর্ঘদিন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সরকারিভাবে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে পাঠানোর লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করা হলেও শফিকুল ইসলাম দেশের বাইরে চিকিৎসা নিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। সম্প্রতি জ্বর ও শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

শফিকুলের ভগ্নিপতি শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, সম্প্রতি গুলির স্থানে সংক্রমণ হলে শফিকুলের জ্বর আসে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, তিনি নিউমোনিয়া ও সংক্রমণের কারণে মারা গেছেন।

হালুয়াঘাট জুলাই শহীদ ও আহত সেলের প্রতিনিধি রিদওয়ান সিদ্দিকী জানান, পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বুধবার সকালে উপজেলার দর্শারপাড় মামা পাগলা মাজার মসজিদ প্রাঙ্গণে তার জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে তাকে নিজ বাড়িতে দাফন করা হবে।

এদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির শহীদ ও আহত সেলের সমন্বয়কারী আল নূর মোহাম্মদ আয়াস বলেন, শফিকুলের মৃত্যু আমাদের স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে- আহত জুলাই যোদ্ধারা এখনো উন্নত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন।

 

বিপি/টিআই

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি