৯ মে ২০২৬

গণঅভ্যুত্থানের যেসব স্মৃতির সাক্ষী হচ্ছে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪২ পিএম
গণঅভ্যুত্থানের যেসব স্মৃতির সাক্ষী হচ্ছে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়। এখন চলছে জাদুঘরের জন্য স্মারক সংগ্রহের কাজ। আগামী ৫ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের জাদুঘরটি উদ্বোধনের কথা রয়েছে। সে অনুযায়ী প্রস্তুতি চলছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে জুলাই আন্দোলনের স্থিরচিত্র, বিভিন্ন স্মারক, নানা উপকরণ, শহীদদের জামাকাপড়, চিঠি, গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র, ওই সময়ের পত্রিকার কাটিং, অডিও-ভিডিওসহ বিভিন্ন স্মৃতি স্মারক থাকবে। এছাড়া সেখানে বিশেষ স্থান পাচ্ছে স্বৈরাচার ও গণহত্যাকারী শেখ হাসিনার পালিয়ে যাওয়ার দৃশ্যও। এ জাদুঘর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরেরই একটি অংশ। তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের জন্য স্মারক সংগ্রহ করতে আর্কাইভ ও কালেকশন টিম দেশজুড়ে কাজ করছে। দেশের কারও কাছে কোনো স্মৃতিস্মারক থাকলে তা জাদুঘরে পৌঁছানোর জন্য বিজ্ঞাপন সম্প্রচারের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। এই জাদুঘরের সংগ্রহশালা যেন জুলাইয়ে সংগঠিত ছাত্র-জনতার নেতৃত্বে সংঘটিত গণ-অভ্যুত্থানের কথা স্মরণ করে দেয়, সে লক্ষ্যে সব ধরনের আয়োজন উপস্থাপনের নিরন্তর প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন দায়িত্বপ্রাপ্তরা। তথ্যানুসন্ধানে আরও জানা যায়, মিরপুর রোড ঘেঁষে অবস্থিত গণভবন হিসাবে পরিচিত সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনকে রূপান্তর করা হয়েছে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর হিসাবে। গত বছরের ৮ আগস্ট ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর ‘জাতির পিতার পরিবার-সদস্যগণের নিরাপত্তা আইন, ২০০৯’ বাতিল করা হয়। ফলে গণভবনে থাকার আইনি অধিকার হারায় শেখ হাসিনার পরিবার। আর দায়িত্ব নিয়েই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের ভূমিকা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনকে জুলাই জাদুঘর করার প্রস্তাব করেন উপদেষ্টা পরিষদের ছাত্র প্রতিনিধিরা। এরপর গত বছরের ৫ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পঞ্চম সভায় গণভবনে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২ নভেম্বর তৎকালীন উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম গণভবনকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ রূপান্তরের জন্য কমিটি ঘোষণার কথা জানান। এরপর ধাপে ধাপে ওই জাদুঘরের কাজ ত্বরান্বিত হয়েছে। বছর ঘুরতে যা উদ্বোধনের দোরগোড়ায়। সরেজমিন জানা যায়, গণভবনের সীমানা প্রাচীরের কাজ কিছুটা সংস্কার করা হয়েছে। আবার কোথাও আগের অবস্থায় রয়েছে। দায়িত্বপ্রাপ্তদের কয়েকজন জানান, ছাত্র-জনতার জনস্রোতে ৫ আগস্ট গণভবনে যে ভাঙচুর হয়েছে, তা আগের অবস্থায় রেখে দেওয়া হচ্ছে। অন্যান্য জায়গায় নতুন স্থাপত্য নকশায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে কিছু পূর্তকাজ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে এর প্রায় ৭০ শতাংশ শেষ। বাকি কাজও দ্রুতগতিতে চলছে। কম সময়ের মধ্যে সেসব কাজও শেষ হবে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের সচিব মো. সাদেকুল ইসলাম বলেন, মন্ত্রণালয় থেকে ৫ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধনের প্রস্তুতি চলছে। প্রধান উপদেষ্টা সশরীরে উপস্থিত থেকে জাদুঘরের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। [বাংলা প্রেস বিশ্বব্যাপী মুক্তচিন্তার একটি সংবাদমাধ্যম। স্বাধীনচেতা ব্যক্তিদের জন্য নিরপেক্ষ খবর, বিশ্লেষণ এবং মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজ আগের চেয়ে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।] বিপি/কেজে
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি