৬ মে ২০২৬

গণমাধ্যমের ‘মনগড়া গল্প ছাপানো’ নিয়ে যা বললেন প্রেস সচিব

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ১৪ নভেম্বর ২০২৫, ০৪:২৩ এএম
গণমাধ্যমের ‘মনগড়া গল্প ছাপানো’ নিয়ে যা বললেন প্রেস সচিব

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:   অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেস সচিব শফিকুল আলম গণমাধ্যমের মনগড়া ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের প্রবণতা নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, মতিউর রহমান চৌধুরীর মানবজমিন সাম্প্রতিক মাসগুলোতে নানান ধরনের মিথ্যা ও মনগড়া খবর প্রকাশ করেছে। তার মতে, পত্রিকাটির সম্পাদক হয়তো মনে করেন—ট্যাবলয়েড গণমাধ্যমের ক্ষেত্রে সাংবাদিকতার নৈতিকতা প্রযোজ্য নয়। 

 

শফিকুল আলম বলেন, তার জানা উচিত—যুক্তরাজ্যে ট্যাবলয়েড পত্রিকাগুলো সাংবাদিকতার মানদণ্ড লঙ্ঘন ও মানুষের মানহানি করার জন্য নিয়মিতভাবে বহু মিলিয়ন পাউন্ড জরিমানা ও ক্ষতিপূরণ দিয়ে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশে মানহানি সংক্রান্ত মামলায় কোনো অর্থবহ পরিণতি দেখা যায় না। ফলে সংবাদপত্র, টেলিভিশন ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো ইচ্ছেমতো মনগড়া গল্প ছাপিয়ে পার পেয়ে যায়। কেউ প্রতিবাদ করলেই তারা ‘মিডিয়ার স্বাধীনতা’র আড়ালে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করে, কারণ তারা জানে—ভুল তথ্য প্রকাশের জন্য তাদের জবাবদিহির মুখে পড়তে হয় না।  

তিনি আরও বলেন, তবুও এসব পত্রিকার কিছু সম্পাদক নিয়মিত অভিযোগ করেন যে বাংলাদেশে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নেই—এবং হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরও নাকি কিছুই বদলায়নি। আমাদের মানবাধিকার সংগঠনগুলোও প্রায়ই এসব উদ্বেগের প্রতি সাড়া দেয়, কিন্তু প্রকৃত দোষী কে, বা যেসব সাংবাদিক আক্রমণ বা হয়রানির শিকার হয়েছেন, তারা আসলে সাংবাদিকতার কারণে নাকি অন্য কোনো কারণে আক্রান্ত হয়েছেন—এ নিয়ে কোনো গভীর গবেষণা তারা করে না। 

পোস্টে শফিকুল আলম দাবি করেন, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সাংবাদিকরা অভূতপূর্ব সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা উপভোগ করছেন। তাদের প্রায় সব বিষয়ে লেখার ও বলার সুযোগ রয়েছে—এমনকি সামরিক বাহিনী সম্পর্কে মনগড়া ও বানানো মন্তব্যও। তা–সত্ত্বেও গণমাধ্যমকর্মীদের অভিযোগ অনেক সময় অতিরঞ্জিত বলে উল্লেখ করেন তিনি। তার ভাষায়, প্রায়ই সেই পরিচিত অভিযোগ শোনা যায়—দেশে কি আর সাংবাদিকতা করার পরিবেশ আছে!

বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি