গার্মেন্টস শিল্পে প্রণোদনার প্রথম কিস্তি ২ হাজার কোটি টাকা ছাড়

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: করোনাভাইরাসের প্রভাব মোকাবিলায় দেশের তৈরীপোশাক খাতের জন্য সরকার ঘোষিত ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে প্রথম কিস্তির ২ হাজার কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে। তবে এই অর্থ ছাড়ের সঙ্গে শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। যেসব তৈরীপোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠান ৮০ শতাংশের বেশি সরাসরি পণ্য রপ্তানি করে থাকে, তাদের এলসি পরীক্ষা সাপেক্ষে এই প্যাকেজের অর্থ ঋণ হিসেবে দেওয়া হবে।
অর্থমন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এ অর্থ কেবল শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের লক্ষ্যে শিল্প মালিকরা ঋণ হিসেবে নিতে পারবেন। কোনো শিল্পপ্রতিষ্ঠান যদি লে-অফ ঘোষণা করে সেসব প্রতিষ্ঠান এ তহবিল থেকে ঋণ পাবে না।
৮০ শতাংশের কম বিবেচিত রপ্তানিকারকরা ২০ হাজার কোটি টাকার ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল থেকে ঋণ নিতে পারবে। যা দিয়ে শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা যাবে। কোনো কর্মকর্তার বেতন-ভাতা এ অর্থ থেকে পরিশোধ করা যাবে না।
এ বিষয়ে বিজিএমইএ’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, অর্থ ছাড়ের বিষয়টি তারা জেনেছেন। একটি ভালো সংবাদ। ঋণের ক্ষেত্রে যে সব শর্ত দেওয়া হয়েছে, সেগুলো নিয়ে সমস্যা নেই। সরকার ঋণ দেবে তার জন্য কিছু শর্ত থাকবেই। যারা ৮০ শতাংশ রপ্তানি করেন, তারা ৫ হাজার কোটির তহবিল থেকে ঋণ নেবেন। আর এর নিচে যারা, তারা ২০ কোটি টাকার ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল থেকে নেবেন। এ নিয়ে সমস্যা নেই। তবে আমাদের কনসার্ন লে-অফের বিষয়টি। এ নিয়ে আমরা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করছি। আশা করছি খুব তাড়াতাড়ি বিষয়টি সুরাহা হবে।
নাম না প্রকাশের শর্তে অন্য একজন ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, অর্থ ছাড়ের বিষয়টি জেনেছেন। কিছু শর্ত দেওয়া হয়েছে। দু’-একটা বিষয় নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা হচ্ছে। গার্মেন্টস শিল্প মালিকরা এ তহবিল থেকে ঋণের জন্য আগামী ২৬ এপ্রিল থেকে আবেদন করবেন।
গত সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে অর্থমন্ত্রণালয়ের অর্থবিভাগ সরকার ঘোষিত ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা ঋণের প্রথম কিস্তির ২ হাজার কোটি টাকা ছাড়ের অনুমতি দিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এই অর্থ ছাড় করবে।
বিপি/আর এল
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
আন্তরিকতার সঙ্গে দেশসেবা করতে নবীন সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি