গাইবান্ধায় মানবাধিকার কমিশনের বৈঠকে পারিবারিক কলহের অবসান

রওশন আলম পাপুল,গাইবান্ধা প্রতিনিধি : বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন গাইবান্ধা জেলা শাখার আয়োজনে সোমবার বিকেলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্ব-কলহের বিষয়ে আপোষ-মিমাংসা করা হয়েছে। জানা যায়, গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলাধীন থৈকরের পাড়া গ্রামের মৃত ইয়াজ উদ্দিন ব্যাপারীর ছেলে সাজেদুল ইসলামের সাথে ২০০২ সালে গাইবান্ধা সদর উপজেলার পশ্চিম পিয়ারাপুর মন্ডলের পাড়া গ্রামের ফিরুজুল আলমের মেয়ে লায়লার বিয়ে হয়।
বিয়ের পর ঘর সংসারে একটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহন করেন। সে বর্তমানে একটি স্কুলে ৫ম শ্রেণিতে লেখাপড়া করে। সাজেদুল সাঘাটা উপজেলার গোবিন্দপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক এবং তার স্ত্রী লায়লা গাইবান্ধা মাতৃসদনে চাকরী করে। ঘর সংসার করাকালে মেয়ের লেখাপড়ার সুবাদে সাজেদুল ও লায়লা গাইবান্ধা শহরের পলাশপাড়ায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করতে থাকাকালে উভয়ের মধ্যে পারিবারিক দ্বন্দ্ব-কলহ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে এই দ্বন্দ্ব কলহের জের ধরে লায়লা বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন গাইবান্ধা জেলা শাখায় একটি অভিযোগ দায়ের করলে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন গাইবান্ধা জেলা শাখা উভয়পক্ষকে আপোষ-মিমাংসার জন্য একটি শালিস বৈঠকের আয়োজন করে দীর্ঘ আলোচনার মধ্য দিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যকার পারিবারিক কলহের বিষয়টি আপোষ-মিমাংসা করিয়া দেন।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন গাইবান্ধা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট আনিস মোস্তফা তোতন, সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. শামসুজ্জোহা শামীম, বিশেষ প্রতিনিধি এ.কে.এম সালাউদ্দিন কাশেম। আরো উপস্থিত ছিলেন এ্যাড. সালেহুর রহমান বাবু, এ্যাড. মুরাদুজ্জামান মুরাদসহ উভয় পক্ষের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
বিপি/আর এল
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
আন্তরিকতার সঙ্গে দেশসেবা করতে নবীন সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি