৫ মে ২০২৬

একঘেঁয়েমি কাটানোর জন্য শিশুদের নিয়ে নাচেন প্রধান শিক্ষক!

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৮ পিএম
একঘেঁয়েমি কাটানোর জন্য শিশুদের নিয়ে নাচেন প্রধান শিক্ষক!

বাংলাপ্রেস বিদেশ দপ্তর:  প্রতিদিনের ডান-বাম, বাম-ডান মার্কা পিটি প্যারেডটা একঘেঁয়েমি লাগছিল। তিনি প্রধান শিক্ষক। দিলেন কিছু উল্টাপাল্টা করে। একটি গানের তালে তালে শিক্ষার্থীদের নিয়ে নাচলেন। এতে কাজও হলো একশোতে একশো। শিশুরা মজাও পেল আর শরীরচর্চাটাও হয়ে গেল।চীনের সানশি প্রদেশের একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক জ্যাং পেংফেই ওই কাণ্ড ঘটিয়েছেন। ‘শি গুয়ান’ নামের ওই স্কুলে এখন এভাবেই শরীরচর্চা হয় নিয়মিত। আর ওই ধরনের শরীরচর্চার ভিডিও এরইমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যায় প্রধান শিক্ষক নিজের সহকর্মীদেরও ওই একই ঢঙে নাচিয়েছেন।

গত শুক্রবার পোস্ট করা ভিডিওটি চারদিনে আড়াই কোটিবার দেখা হয়েছে। রাশিয়ান সংবাদমাধ্যম আর টিসহ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেদন হয়েছে।চীনে ১৯৫১ সাল থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শরীরচর্চা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আগে চীনের সরকারি কারখানা ও অফিসেও দিনের শুরুতেও সবার জন্য বাধ্যতামূলক ছিল।একঘেঁয়েমি কাটানোর জন্য গত নভেম্বর থেকে নতুন পদ্ধতি চালু করেন স্কুলটির প্রধান শিক্ষক জ্যাং। নতুন এই নাচের আইডিয়া শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সামনে আনার আগে তিনি নিজে বেশ কিছু দিন চর্চা করে নেন। জ্যাংয়ের ওই নাচের নামও পাওয়া গেল- ‘গুইবু’ বা ‘ভুতুড়ে নাচ’।

অবশ্য নিয়ম ভাঙার পেছনে তাঁর যুক্তিও ফেলনা নয়। এই নাচে শিক্ষার্থীরা মজা পাচ্ছে আর শারীরিক কসরতও কম হচ্ছে না। এবং স্কুল প্রাঙ্গণে এই অভিনব নাচের ফলে অগত্যা কিছুটা হলেও শিক্ষার্থীদেরকে মোবাইল, ট্যাব থেকে দূরে রাখা যাবে বলে বিশ্বাস করেন জ্যাং।শুরুতে স্কুলটির অর্ধেক শিক্ষক এর বিরোধিতা করেন। কারণ, সরকারের শিক্ষা বিভাগের কর্তাব্যক্তিরা হঠাৎই পরিদর্শনে যান। ওই সময় শারীরিক কসরতের নিয়ম না মানার কারণে সাজা হওয়ার ঝুঁকি থাকে।পিকিং ইউনিভার্সিটির স্কুল অব পাবলিক হেলথের এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩০ সাল নাগাদ চীনে ৭ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের ২৮ শতাংশই স্থুলতায় ভুগবে। আর এমন শিশুর সংখ্যা দাঁড়াতে পারে পাঁচ কোটি।

বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি