ঈদকে সামনে রেখে ব্যাস্ত সময় কাটাচ্ছে লালমনিরহাটের পাদুকা শিল্পিরা

মামুনুর রশিদ (মিঠু) লালমনিরহাট থেকে : আর কটা দিন গেলেই ঈদ। নতুন জামা, শাড়ি, প্যান্টের পাশাপাশি জুতা-সেন্ডেল সাজগোজের ব্যাপারে একটি অনিবার্য অংশ। অনেকের কেনা-কাটাও শুরু হয়ে গেছে। মধ্যবিত্ত,নিম্ম ধ্যবিত্ত ও গরিব মানুষদের অনেকেই জামা- প্যান্টের পাশাপাশি পছন্দেও জুতা স্যান্ডেল কেনেন।
সারা বছর জামা প্যান্ট দুএকটা কিনলেও জুতার বেলায় জোরাতালি ও কালি করেই সেরেফেলেন বেশিরভাগ মানুষ। তাই প্রতি ঈদে ছোট-বড় সকলের পায়ের জুতার চাহিদা মেটাতে দিন-রাত এক করতে হয় স্থানিয় পাদুকা শিল্পিদের। তবে ঈদে চাহিদা বেশি থাকায় তারা আগে-ভাগেই কাজ শুরু করেছেন। লালমনিরহাট সদরের আলোরুপা মোড় এলাকার পাদুকা শিল্পি ধনেশ্বর রবিদাস জানান, প্রতি বছর এই সময় তাদের কাজের চাপ একটু বেশি থাকে।
সিজেনের শুরুতেই সৈয়দপুর, বগুড়া,ঢাকার বিভিন্ন যায়গা থেকে সংগ্রহ করতে হয় জুতা-স্যান্ডেল তৈরীর নানা উপকরন যেমন, চামড়া, রেকসিন, বকলেস, রিপিট, সোল ইত্যাদি। লোকাল বাজার থেকে এসব উপকরণ কনলে পর্তা হয় না। শহরের মিশন মোড়ের নেপাল ও ভোকেশনাল মোড় এলাকা জগোদিস বংশ পরোম্পরায় ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এবারে ঈদেও বাজারে জুতার দাম সম্পর্কে জানতে চাইলে জগোদিস জানান, পায়ের মাপ ভেদে নয় চামড়া ও অন্যান্ন উপোকরনের উপর নির্ভর করে জুতা স্যান্ডেলের দাম। ২৫০ টাকা থেকে শুরু করে ২৫০০ টাকার জুতার অর্ডার তিনি নেন। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে আস-পাশের এলাকার দোকান গুলোতে জুতা-স্যান্ডেল সর্বরাহ করতে হয় আর তাই কাজের চাপ এখন খুব বেশি।
বিপি/আর এল
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
আন্তরিকতার সঙ্গে দেশসেবা করতে নবীন সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি