ঈদের আগে মুরগির বাজারে অস্থিরতা
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। গত সপ্তাহে যেখানে কেজি বিক্রি হচ্ছিল ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়, সেখানে এখন সেই ব্রয়লারই বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২৩০ টাকায়।
বিক্রেতারা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে সরবরাহ কমে যাওয়া এবং চাহিদা বেড়ে যাওয়াই দাম বৃদ্ধির প্রধান কারণ। বিশেষ করে রমজান মাসে মুরগির চাহিদা বাড়ায় বাজারে এর প্রভাব পড়েছে।
নিউমার্কেট এলাকার মুরগি বিক্রেতা মো. আলমগীর বলেন, ‘গত সপ্তাহেও ব্রয়লার ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি করেছি। কিন্তু কয়েক দিনের ব্যবধানে পাইকারি বাজারেই দাম বেড়ে গেছে। বেশি দামে কিনতে হওয়ায় খুচরায়ও দাম বাড়াতে হচ্ছে।’
আরেক বিক্রেতা সোহেল মিয়া জানান, রমজানকে সামনে রেখে অনেক খামারি আগেই মুরগি বিক্রি করে দিয়েছেন।
ফলে বর্তমানে সরবরাহ কম থাকায় পাইকারি বাজারে দামের চাপ তৈরি হয়েছে। একই বাজারের বিক্রেতা আবদুল কাদের বলেন, এখন ক্রেতাদের চাহিদা অনেক বেশি, তাই বাজারে আসা মুরগি দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে।
হঠাৎ এই দাম বৃদ্ধিতে ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা গেছে। মুরগি কিনতে আসা রফিকুল ইসলাম বলেন, এক সপ্তাহের মধ্যে এতটা দাম বাড়বে ভাবিনি। আগে ১৮০ টাকায় যে মুরগি কিনেছি, এখন সেটাই ২৩০ টাকা দিয়ে নিতে হচ্ছে। এতে সংসারের খরচ অনেক বেড়ে যাচ্ছে।
নাসরিন আক্তার নামের আরেক ক্রেতা বলেন, ‘মাছ-মাংস সবকিছুরই দাম বেশি। একটা মাঝারি মুরগি কিনতেই সাড়ে পাঁচশ থেকে ছয়শ টাকা লাগছে। সাধারণ মানুষের জন্য এটা বড় বোঝা।’
এদিকে মাছের বাজারেও দামের তারতম্য রয়েছে। বাজারভেদে চাষের পাঙাশ মাছ ১৮০ থেকে ২২০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং রুই ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড় আকারের নদীর মাছের দাম আরও বেশি। বিভিন্ন প্রজাতির ছোট মাছের কেজি ৪০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত। সবজির বাজারেও কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী দাম দেখা গেছে। সূত্র: যুগান্তর
বিপি>টিডি
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি