এ বছরের নিউ ইয়র্ক সিটির প্রথম হত্যাকাণ্ডের আসামীকে খুঁজে পায়নি পুলিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক: পুলিশ ও সূত্র জানিয়েছে, ব্রঙ্কসে এক উন্মত্ত রোড রেজের ঘটনায় এক ব্যক্তি আরেকজনকে গুলি করে গুরুতর আহত করেন, তারপর পায়ে হেঁটে পালিয়ে যান।
কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, ৪১ বছর বয়সী ফ্র্যাঙ্কি পোভেনটুড শুক্রবার বিকেল ৪টার কিছু আগে কনকোর্স ভিলেজ ও ইস্ট ১৫৬তম স্ট্রিট এলাকায় সংঘর্ষের সময় ৩৬ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গুলি করেন। তবে পোভেনটুড নিজে কোনো গাড়িতে ছিলেন কি না, বা ভুক্তভোগী চালক নাকি যাত্রী ছিলেন তা স্পষ্ট নয়।
পুলিশ জানায়, পোভেনটুডের সঙ্গে পূর্বপরিচয় না থাকা ভুক্তভোগীকে ব্যক্তিগত ব্যবস্থায় লিংকন মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়, যেখানে তাকে সংকটাপন্ন অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মাউন্ট হোপ এলাকার বাসিন্দা পোভেনটুড ঘটনাস্থল থেকে পায়ে হেঁটে পালিয়ে যান। প্রায় দুই দিন পর, রোববার সন্ধ্যায় তিনি নিজেই ৪৪তম প্রিসিঙ্ক্ট থানায় আত্মসমর্পণ করেন।
কর্তৃপক্ষ জানায়, তার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার পাশাপাশি হামলা, বেপরোয়া বিপজ্জনক আচরণ এবং অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে। সোমবার রাত পর্যন্ত তার আদালতে হাজিরা (অ্যারেইনমেন্ট) মুলতবি ছিল।
দিনদুপুরে এই গুলির ঘটনা ঘটে ব্রঙ্কসে নববর্ষের দিনে ঘটে যাওয়া আরেকটি প্রাণঘাতী রোড রেজ–সংক্রান্ত গুলির ঘটনার কয়েক সপ্তাহ পর।
পুলিশ জানায়, ১ জানুয়ারি সকাল প্রায় ৭টার আগে মরিস অ্যাভিনিউ ও ক্রস ব্রঙ্কস এক্সপ্রেসওয়ের সংযোগস্থলে ৫৫ বছর বয়সী পরিশ্রমী উবার চালক ইসা এমবলো-ইসাক গুলিতে নিহত হন যা ছিল এ বছরের নিউ ইয়র্ক সিটির প্রথম হত্যাকাণ্ড।
নিউইয়র্ক স্টেট ফেডারেশন অব ট্যাক্সি ড্রাইভার্স তখন জানিয়েছিল, একটি ছোটখাটো গাড়ি ধাক্কার ঘটনা নিয়ে তর্কের সময় নির্মমভাবে তাকে গুলি করা হয়।
এনওয়াইপিডি ২৪ বছর বয়সী এহিনেল ট্রনকোসোকে ওই মামলার সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করেছে, তবে তাকে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি।
(*এই প্রতিবেদনটি বাংলা প্রেসের তৈরি। অনুমতি ছাড়া আমাদের বিষয়বস্তু, ছবি বা সম্প্রচার অন্য কোনো সংবাদমাধ্যমে পুনঃপ্রকাশ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ)।
বিপি/এসএম
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি