দুঃসাহসিকতার পরিচয় দিয়ে পালন করল শরনার্থী আগমনের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি !
জাহেদুল ইসলাম,কক্সবাজার থেকে: ২০১৭ সালের ২ শে আগষ্ট এদিনে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে রোহিঙ্গা শরনার্থী আগমনের ঢল নেমেছিল ।
গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের উদার মানবিকতায় এদিন থেকে পরবর্তী মাত্র একমাসে অন্তত ১১ লক্ষ রোহিঙ্গা শরনার্থী বাংলাদেশে আগমন করে।বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন শরনার্থী ক্যম্পে থাকা এসব শরনার্থীদের মাঝে আরো প্রায় ৯২ হাজার শিশু জম্ম নিয়েছে।
আজ ২৫ আগস্ট রোববার রোহিঙ্গা আগমনের দু’বছর পূর্তি ও তাদের ৫ দফা দাবিতে প্রকাশ্যে পূর্ব নির্ধারিত সমাবেশ করেছে এই আশ্রিত রোহিঙ্গা শরনার্থীরা।সমাবেশে রোহিঙ্গা শরনার্থীরা ৫ দফা দাবী ও নিজেদের অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ থাকার ঘোষণা দেয় ও অঙ্গীকার করে।চট্টগ্রামে আঞ্চলিক ভাষায় দাবী আদায়ের মূহুর্মূহ শ্লোগান,প্লেকার্ড,ফেস্টুন আর ব্যানারে ছেয়ে যায় সমাবেশস্থাল।অদ্য সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে উখিয়ার কুতুপালং শরনার্থী ক্যাম্পের এক্সটেনশন-৪ এ অনুষ্ঠিত সমাবেশ রোহিঙ্গা শরনার্থীদের পদভারে কানায় কানায় পূর্ণ ছিলো।
দাবি আদায়ে উত্তাল ছিলো এ সমাবেশ।সমাবেশে উপস্থিাত ছিলেন, আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটির চেয়ারম্যান মাস্টার মুহিব উল্লাহ,আব্দুর রহিম, মোহাম্মদ ইলিয়াছসহ অন্যান্য নেতারা।যদিওবা এসব রোহিঙ্গা নেতারা ক্যাম্প এরিয়ায় প্রবেশের কোন অনুমতি নেয়নি।ক্যাম্পের অভ্যন্তরে পূর্ব থেকে ঘোষনা দিয়ে এরকম দাবি-দাওয়া নিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করায় স্থানীয় জনগণ চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।এবিষয়ে শরনার্থী ত্রান ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালাম ,এনডিসি(অতিরিক্ত সচিব)জানান ২৫ আগস্ট রোহিঙ্গা শরনার্থীদের জন্য একটা কঠিন দিন।এ দিনে তারা তো একটা সমাবেশ করতেই পারে।এজন্য কর্তৃপক্ষ রোহিঙ্গাদের সমাবেশের অনুমতি দিয়েছে।এবিষয়ে উখিয়ার ইউএনও নিকারুজ্জামান চৌধুরী বলেন-রোহিঙ্গা শরনার্থীরা সমাবেশ করার বিষয়টি জেনেছি। তবে অনুমতির বিষয়টা তিঅিবগত নয় বলে জানান।উখিয়া থানার ওসি আবুল মনসুরের সাথে যোগাযোগ করা হলে সমাবেশে অপ্রীতিকর কোন কিছু ঘটেনি।
তবে সমাবেশের অনুমতির বিষয়টা ক্যাম্প ইনচার্জ জানবেন বলে তিনি জানান। এবিষয়ে উখিয়া উপজেলার স্থাানীয় নাগরিক ও বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মীরসাথে যোগাযোগ করা হলে তারা,রোহিঙ্গা শরনার্থীদের বিক্ষোভ সমাবেশ করার অনুমতি দেয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেন এবং অনাকাঙ্খিত এধরনের সমাবেশের কারণে রোহিঙ্গা শরনার্থীরা আরো ভয়ংকর,মারমুখী ও হিংস্র হয়ে উঠার বহিঃপ্রকাশ এবং পরবর্তিতে যা স্থাানীয় জনগোষ্ঠী ও প্রশাসনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করেন।তাই এসকল রোহিঙ্গা শরনার্থী প্রত্যাবাসনে ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করে তাদের আইনের আওতায় আনার এখনই সময় বলে মনে করেন তারা।
বিপি/কেজে
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
আন্তরিকতার সঙ্গে দেশসেবা করতে নবীন সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি