ডোমারে স্বামীর হাতে স্ত্রী ও ৩ বছরের কন্যা সন্তান খুন
বাংলা প্রেস
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪০ পিএম
আনিছুর রহমান মানিক, ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডোমারে পারিবারিক দ্বন্দের জের ধরে পাশন্ড স্বামীর হাতে স্ত্রী রত্না বেগম (২৮) ও ৩বছরের শিশু কন্যা ইয়াসমিন বেগম খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে, ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের নিমোজখানা গ্রামে।
জানা যায়, উক্ত গ্রামের সমারু মামুদের ছেলে জিকরুল ইসলামের সাথে একই এলাকার রত্না বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই প্রায় সময় তাদের স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে দ্বন্দ হয়। এরই জের ধরে বুধবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে পূর্বের ঘটনার জের ধরে পাশন্ড স্বামী ধারালো ছুড়ি দিয়ে স্ত্রী রত্না ও শিশু কন্যা ইয়াসমিন কে আঘাত করলে ঘটনা স্থলে মা ও মেয়ের মৃত্যু হয়। পরে পাশন্ড স্বামী তার ১৪ দিনের শিশু পুত্রকে পুকুড়ে ফেলে দেয়। জিকরুলের শাশুরী বিলকিছ বেগম বাঁধা দিতে গেলে তাকেও আঘাত কওে জিকরুল। পরে জিকরুল নিজে নিজেই পেটে ছুড়ি চালিয়ে আত্মহত্যার চেস্টা করে।
এলাকাবাসী দ্রুত পুকুর থেকে শিশুপুত্র, শাশুরী ও আহত জিকরুলকে উদ্ধার করে ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। তাদের অবস্থা আশংখ্যা জনক হওয়ায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে নীলফামারী জেলার পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান (পিপিএম) ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহামুদ উন-নবী, বোড়াগাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম রিমুন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মা ও মেয়ের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জেলা মর্গে প্রেরন করেন। ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম জানান, আমি চেয়ারম্যান হওয়ার পরথেকে তাদের পারিবারিক বিষয় নিয়ে একাধিক বার বিচার শালিশ করেছি। প্রায় তারা ঝগড়া বিবাদ করতো। পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, জিকরুল, তার শাশুরী ও শিশু পুত্রকে আমরা রংপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠিয়েছি। এবং জিকরুলকে পুলিশি পাহাড়ায় রাখা হয়েছে। লাশের ময়না তদন্ত শেষে আইগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বিপি> আর এল
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি