৬ মে ২০২৬

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে উত্তেজনা, পুলিশের ৩ গাড়ি ভাঙচুর

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ১৭ নভেম্বর ২০২৫, ১০:০৩ পিএম
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে উত্তেজনা, পুলিশের ৩ গাড়ি ভাঙচুর

 

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে পুলিশের তিনটি গাড়ি ভাঙচুর করেছেন বিক্ষুব্ধ জনতা। এতে পুলিশের গাড়িতে থাকা বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এছাড়া গাড়ির কাচে কয়েকজন আন্দোলনকারীও আহত হয়েছেন।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

এদির সকাল থেকেই ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ির অবশিষ্ট অংশ ভাঙতে জড়ো হন বিক্ষুব্ধ জনতা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের উপস্থিতিও বাড়তে থাকে। দুপুরের দিকে তারা দুটি এস্কাভেটর নিয়ে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে যান। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাধার কারণে তারা শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ির অবশিষ্ট অংশ ভাঙতে পারেননি।

বাধার কারণে দুপুর ১টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দফায় দফায় কলাবাগান, শুক্রাবাদ ও পান্থপথ রোডের স্কয়ার হাসপাতালের সামনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়। সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও হঠাৎ শুক্রাবাদ এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শুক্রাবাদ পুলিশ বক্সের সামনে বিক্ষোভ করছিলেন আন্দোলনকারীরা। এ সময় পুলিশের একটি বাস ধানমন্ডি ৩২ এর দিকে ঢুকছিল। তখন বিক্ষিপ্ত জনতা পুলিশকে ‘ভুয়া’ ‘ভুয়া’ বলে স্লোগান দেন। এ সময় বাস থেকে এক পুলিশ সদস্য হাত দিয়ে খারাপ অঙ্গভঙ্গি করেন। মুহূর্তে বাসে ইটপাটকেল ছুটতে থাকেন বিক্ষোভকারীরা। বাসটি তড়িঘড়ি করে ৩২ নম্বরের দিকে চলে যায়। তবে সেনাবাহিনীর বাধার কারণে লোকজন ভেতরে যেতে পারেনি।

এই ঘটনার তিন-চার মিনিট পরে পুলিশের আরও দুটি গাড়ি ধানমন্ডি ২৭ থেকে শুক্রাবাদের দিকে যেতে চায়। তখন চারদিক থেকে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন ভিক্ষোভকারীরা। মুহূর্তেই একটি বাসের সব কাচ ভেঙে যায়। আরেকটি পুলিশ ভ্যানের কাচ ভাঙচুর করা হয়।

সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ ধানমন্ডি ২৭’র দিকে এগিয়ে যায়। সেখানে পুলিশ রাস্তা আটকে রেখেছে। এখন তারা মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। আন্দোলনকারীদের পুলিশকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়।
বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি