৬ মে ২০২৬

ঢাকার কাছে একই স্থানে বারবার ভূমিকম্প, কীসের ইঙ্গিত?

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:৫৫ পিএম
ঢাকার কাছে একই স্থানে বারবার ভূমিকম্প, কীসের ইঙ্গিত?

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:   দুদিনের ব্যবধানে ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর শিবপুর। গত ২১ নভেম্বর ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর এটি সপ্তমবার হিসেবে গণনা করা হয়েছে। যার মধ্যে প্রায় ৬টির উৎপত্তিস্থলই ছিল নরসিংদীতে।

এখন সবার মুখে একটাই প্রশ্ন, একই স্থান থেকে বারবার ভূমিকম্পের কারণ কী। তবে আবহাওয়া অফিস বলছে, ভায়বহ ভূমিকম্পের একই স্থান থেকে বারবার উৎপত্তি হওয়াকে আফটারশক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

 বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সকালে আবহাওয়া অধিদফতরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুবাইয়াত কবির বলেন, ‘দেশে একটি বড় ভূমিকম্প হওয়ার পর ছোট ছোট মৃদু অনেকগুলো ভূমিকম্প হয়েছে, এগুলো আমরা এখন পর্যন্ত আফটারশক হিসেবে দেখতে পেয়েছি।’

আফটারশক হিসেবে আরও কেমন ভূমিকম্প হতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে এমন তথ্য আপাতত নেই। তবে যেগুলো হয়েছে তা থেকে আমাদের গবেষণা বলছে সবগুলোই আফটারশক।’

বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা ১৪ মিনিট ৪৫ সেকেন্ডে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্নস্থানে রিখটার স্কেলে ৪ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে জানানো হয়, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর শিবপুরে। এটি ছিল মৃদু মাত্রার ভূমিকম্প।

এর আগে, গত সোমবার (১ ডিসেম্বর) ঢাকা, সিলেট, কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। দিবাগত রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে অনেকেই ভূমিকম্প অনুভব করেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ (ইউএসজিএস) জানায়, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের মিনজিন এলাকায় ১০৬ দশমিক ৮ কিলোমিটার গভীরে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৯।

আবহাওয়া অধিদফতরের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকা থেকে ৪৩১ কিলোমিটার দূরে। এটি হালকা শ্রেণির ভূমিকম্প ছিল।

এদিকে বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সকাল ৭টা ৫৬ মিনিটে বঙ্গোপসাগরে ৪.২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। 

 তার আগে গত ২৭ নভেম্বর রাজধানী ঢাকায় ভূমিকম্প হয়। ওই দিন বিকেল ৪টা ১৫ মিনিট ২০ সেকেন্ডে এ ভূমিকম্প হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৬। এর উৎপত্তিস্থল নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশালে। ওই দিন ভোরের দিকে সিলেটে ও কক্সবাজারের টেকনাফে দুই দফা ভূকম্পন অনুভূত হয়।

গত ২১ নভেম্বর নরসিংদীতে হওয়া ৫.৭ মাত্রার সেদিনের ভূমিকম্প অনুভব করেন দেশের প্রায় ১৪ কোটি মানুষ। ভূমিকম্পে অন্তত ১০ জন মারা যান। আহত হন কয়েকশ মানুষ। রাজধানীর অনেক ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে। বেশ কিছু ভবন হেলে পড়েছে। ২২ নভেম্বর সকালে একবার এবং সন্ধ্যায় অল্প সময়ের ব্যবধানে দুইবার ভূমিকম্প অনুভূত হয় ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায়।

বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি