দেবীগঞ্জে উন্মক্ত প্রক্রিয়ায় বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা প্রাপ্যদের বাছাই

শেখ ফরিদ,পঞ্চগড়,প্রতিনিধি : “মুই যে এহকালে ভাতার টাহা পামু তা চিন্তাও হরি নাই। এবারে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম রহমান সরকার মোর লগে সামনা সামনি কথা কইয়া মোরে ভাতার টাহা দেওয়ার জন্য নাম নিছে”। অনেকটা আবেগাপ্লুত কন্ঠে কথা গুলো বলেন দেবীগঞ্জ উপজেলা টেপ্রীগঞ্জ ইউনিয়নের খারিজা ভাজনির ৯৭ বছর বয়সী বৃদ্ধা জসেদা রাণী।
এ বছরে বয়স্কভাতার জন্য উন্মুক্ত বাছাইয়ের মাধ্যমে তিনি মনোনীত হয়েছেন। পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার টেপ্রীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদে গতকাল( মঙ্গলবার) বিকেলে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতা প্রাপ্যদের বাছাই প্রক্রিয়ায় টেপ্রীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম রহমান সরকারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক চিশ্তী । বিশেষে অতিথি হিসেবে বক্তব্যদেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রত্যয় হাসান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলার সমাজ সেবা কর্মকর্তা গোলাম আজম, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মো.শাহ্ধসঢ়;জাহান প্রমুখ। দেবীগঞ্জ উপজেলায় চলতি অর্থ বছরের বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতা প্রাপ্যদের বাছাই প্রক্রিয়া চলে। গ্রামে-গঞ্জে, পাড়া-মহল্লায় মাইকিং করে নির্ধারিত তারিখে ইউনিয়ন বাছাই কমিটির সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে উন্মুক্ত বাছাইয়ের মাধ্যমে যোগ্য ভাতাভোগীদের তালিকা প্রণনয় করা হয়। উপজেলা প্রশাসন, সমাজসেবা অধিদপ্তর ও ইউনিয়ন বাছাই কমিটি যৌথভাবে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা এবং প্রতিবন্ধী ভাতার জন্য প্রকৃত যোগ্য উপকারভোগীদের তালিকা প্রণয়ন করে। চলতি অর্থ বছরে দেবীগঞ্জ উপজেলার টেপ্রীগঞ্জ ইউনিয়নে ১০৫ জন বয়স্ক ভাতা, ১০১ জন বিধবা ভাতা এবং ৯০ জন প্রতিবন্ধী ভাতা প্রাপ্যদের নাম তালিকাভুক্ত করে। মাঠ পর্যায়ে বাছাইয়ের সময় বাছাই কমিটির সকল সদস্য উপস্থিত থেকে ইউনিয়নে নীতিমালা অনুযায়ী বাছাই সম্পন্ন করে। বাছাই কমিটি ভাতার কার্ড পেতে সকল আগ্রহীদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে।
বিপি/আর এল
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি